দুমকিতে বসতঘর সীমানা প্রাচীর ভাংচুর করেছে দুর্বৃত্তরা

6

 

ডেক্স রিপোর্টঃ পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলা শহরের সন্নিকটে শ্রীরামপুর ইউনিয়নের নয়ামৃধা বাড়ী সংলগ্ন বটতলা এলাকার এক অসহায় গরীব পরিবারের নিজস্ব ওয়ারিশী জমিতে নির্মাণাধীন টিনশেড ঘরে হামলা-তান্ডব চালিয়ে বসতঘরের টিন ও সীমানা প্রাচীর ভাংচুর করেছে বিরোধীপক্ষের দুর্বৃত্তরা। রবিবার সকাল ৯টার দিকে ঘটনাটি ঘটেছে। বিষয়টি সমাধানে একাধিকবার স্থানীয়ভাবে শালিশ বৈঠকের আয়োজন করা হলেও কোন প্রতিকার পাওয়া যায়নি। ঘটনাটি ভুক্তভোগীরা দুমকি থানা পুলিশকে জানিয়েছে।

ভুক্তভোগী সূত্র জানায়, বহু বছর ধরে উপজেলা শহরের সন্নিকটে শ্রীরামপুর ইউনিয়নের নয়ামৃধা বাড়ী সংলগ্ন বটতলা এলাকার বাসিন্দা মৃত. নবীনেওয়াজ খাঁ’র ওয়ারিশ আমেনা বেগম, রিজিয়া বেগম, সুফিয়া বেগম, খলিলুর রহমান এবং ছালেহা বেগম গংরা শ্রীরামপুর মৌজার ৩৪৯, ৩৪৬, ৩৪৭ খতিয়ানের ১৬৮৪ দাগে ৮৮ শতাংশের মধ্যে প্রাপ্ত ১৯ শতাংশ জমি ভোগদখল করে চাষাবাদ করে আসছে। সম্প্রতি ওই জমিতে টিনশেড ঘর তোলার উদ্যোগ নেয়। ওই জমি নিয়ে প্রায় ২ বছর ধরে সৃষ্ট বিরোধ চলে আসছিল। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মেটানোর জন্য একাধিকবার স্থানীয়ভাবে শালিশ বৈঠকের আয়োজন করা হলেও প্রতিবারই শেষ পর্যায়ে বিরোধীপক্ষ শালিশ বয়কট করে। এছাড়া বিষয়টি সমাধানে স্থানীয় দুমকী থানায় ৫ বার লিখিতভাবে অভিযোগ দাখিল করা হলেও কোন লাভ হয়নি। ওই দাগে প্রাপ্ত ১৯ শতাংশ জমি জবরদখল করে আমেনা বেগম গংদের উৎখাতের ষড়যন্ত্র চলছে বলেও ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন। রবিবার সকাল ৯টার দিকে একই এলাকার নিজবংশীয় একই খতিয়ানের অপর মালিক মৃত. আদম আলী খাঁ’র ওয়ারিশ আঃ রাজ্জাক খাঁনের নেতৃত্বে আঃ রব, বাবুল খান ও বেলাল খান গংরা ওই জমিতে ঘটনাস্থলে সদলবলে উপস্থিত হয়ে তান্ডবলীলা চালিয়ে সীমানা প্রাচীর, বসতঘরের টিন ভেঙ্গে চুরমার করে দেয়। এ সময় ওই অসহায়-গরীব-হতদরিদ্র পরিবারটিকে জমি থেকে উৎখাত এবং প্রাণনাশের হুমকি-ধামকি দেয় তারা। এ ঘটনায় আমেনা বেগমসহ তার পরিবারের নারী সদস্যরা ভয়ে আতঙ্কিত এবং দিশেহারা হয়ে পড়েছে। বর্তমানে দুর্বৃত্তদের প্রতিদিনের হুমকি-ধামকিতে নারী সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। বিষয়টির সুষ্ঠ সমাধান করে এর সঠিক বিচারের দাবি জানিয়েছে অসহায় পরিবারের সদস্যরা। বেলা ১১টার দিকে ঘটনাস্থলে সরেজমিন পরিদর্শনে গেলে বসতঘরের টিন, কাঠের টুকরা এলোমেলো দেখা গেছে।

দুমকি থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মাহমুদুল হাসান বলেন, অভিযোগ পাইনি, পেলে অবশ্যই আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।