দুমকিতে মৎস্য বিভাগের অভিযান ট্রলারে জেলেদের হামলা পুলিশের লাঠির্চাজে আহত-২০

2

এম. রহমান, দুমকি ঃ পটুয়াখালীর দুমকিতে মা-ইলিশ রক্ষায় মৎস্য বিভাগের বিশেষ অভিযান ট্রলারে হামলার ঘটনায় লাঠির্চাজে অন্তত ২০জন আহত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার পাতাবুনিয়া খেয়াঘাট এলাকায় এ সংঘর্ষ ও গণপিটুনির ঘটনা ঘটে।

 

মৎস্য বিভাগ সূত্র জানায়, উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগের বিশেষ অভিযানের ট্রলারটি লেবুখালী ফেরীঘাট থেকে পায়রা হয়ে পাতাবুনিয়া নদীর পাতাবুনিয়া খেয়াঘাট অতিক্রমকালে সংঘবদ্ধ জেলেরা অতর্কিতে হামলা করে। ঘন অন্ধকারে হানিফ তাং, লিটন খা, জয়নাল, মিজানের নেতৃত্বে অর্ধশতাধিক জেলেরা লাঠিশোটা, রামদাও, ছ্যানা, বগি, কিরিচ, টেটাসহ দেশীয় ধারাল অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে অভিযান টিমের পুলিশ ও মৎস্য বিভাগের লোকজনের ওপর চড়াও হয়। ঘটনার সময় বাজারের মসজিদের মাইক দিয়ে ডাকাত পড়েছে ঘোষনা দিয়ে ডেকে আনা অবৈধ জনতা জেলেদের সাথে যোগ দিয়ে অভিযান ট্রলারের পুলিশসহ কর্মকর্তাদের ওপর ইটপাটকেল ছুড়তে থাকে। অভিযান ট্রলারের পুলিশসহ কর্মকর্তারা আত্মরক্ষা ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে থানায় খবর দেয়। পরে থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে লাঠির্চাজ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। পুলিশের লাঠির্চাজে অন্তত ২০জন আহত হয়েছে।

 

স্থানীয়রা জানায়, রাতে অন্ধকারে ডাকাতের ট্রলার ভেবে এলাকার লোকজন জড়ো হয়ে ইটপাটকেল ছুড়েছে। পেছন থেকে থানা পুলিশের একটি টিম লাঠির্চাজ শুরু করলে লোকজন ছত্রভঙ্গ হয়ে ছুটাছুটি করে দৌড়ে পালিয়ে যায়। এতে অনেকেই আহত হয়েছে।

 

দুমকি থানার অফিসার ইনচার্জ আজম খান ফারুকী, ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।

 

অভিযান টিমের প্রত্যক্ষদর্শী মৎস্য বিভাগের মাঠকর্মী মোঃ সাইফুল ইসলাম শাহীন জানান, সংঘবদ্ধ জেলেরা অভিযান ব্যহত করতে একাধিকবার হামলা করেছে। স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্রের মদোদে ওই এলাকার বেপরোয়া কতিপয় জেলে ন্যাক্কারজনক হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে। হামলায় জড়িতদের চিহ্নিতকরা হয়েছে। সরকারী কাজে বাঁধা প্রদান এবং পুলিশের অস্ত্র লুটের অপচেষ্টায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা খুবিই জরুরী। বিভাগীয় মামলা প্রক্রিয়াধীণ রয়েছে বলেও তিনি নিশ্চিত করেছেন।#