দুমকিতে সড়কের বেহাল দশা ॥ বীজ বপন করে প্রতিবাদ

5

ডেক্স রিপোর্টঃ পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের টিএন্ডটির পূর্ব পাশে জলিশা গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা সোহরাব শরীফের বাড়ি হতে বোর্ড স্কুল পর্যন্ত কাঁচা সড়কটির অন্তত: দুই কিলোমিটার অংশে বেহাল দশার সৃষ্টি হয়েছে। ইটের সলিংয়ের সড়কটিতে চলতি অর্থ বছরে স্থানীয় এমপির বরাদ্দ থেকে ওই রাস্তার অনুকূলে হেরিংবনের জন্য ২০ লাখ টাকা দেয়া হয়। পরে বৃষ্টি মৌসুমের কিছুদিন আগে পুরাতন ইট ও মাটি উঠিয়ে বালু ভরাট ও কাজ শুরু না করেই ঠিকাদার শামীম আহসান লাপাত্তা হয়ে গেছে। এক ফুট গভীর করে রাস্তাটি খোড়া হলে কাদাজলে একাকার হয়ে গেছে সড়কটির পুরো অংশ। এর ফলে চলতি বৃষ্টির মৌসুমে এলাকাবাসী ও পথচারীদের চলাচলে দুর্ভোগ বেড়েই চলেছে। বিশেষ করে বৃদ্ধ ও স্কুলগামী কোমলমতী শিশুদের দুর্ভোগের সীমা নেই। প্রায়শই ঘটছে নানা দূর্ঘটনা। চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে সড়কটি। এতে দিন দিন জনসাধারন ও পথচারীদের ভোগান্তি বাড়ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি সমাধানে কোন উদ্যোগই নিচ্ছেন না বলে ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন। শনিবার  বেলা ১১টার দিকে এলাকাবাসী প্রতিবাদ জানিয়ে সড়কটিতে বীজ বপন করে। এ ঘটনায় গোটা উপজেলা জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে তাৎক্ষনিকভাবে সাংবাদিকরা সরেজমিনে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পায়। স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন আগে ওই সড়কটি দিয়ে সোহরাব শরীফ টমটমযোগে ২৫ বস্তা সিমেন্ট বাড়িতে আনতে গেলে টমটম উল্টে খালে পড়ে যায়। যা কোন কাজে লাগাতে পারেননি তিনি। এতে তার প্রায় ১২ হাজার টাকার ক্ষয়-ক্ষতি সাধন হয়েছে। এছাড়া ওই এলাকার রহিম শরীফের বাড়িতে বেড়াতে এসে তার শাশুড়ি আরজু বেগম (৫০) কাদামাটিতে পড়ে গিয়ে পাজড় ভেঙ্গে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী দিলীপ কুমার জানান, এক সপ্তাহের মধ্যে ঠিকাদার ওই সড়কে বালু ভরাট করবে।

সভায় শহীদ স্মৃতি পাঠাগার,সুন্দরম,উদীচী,জাতীয় রবীন্দ্র সংগীত সম্মিলন পরিষদ,নজরুল চর্চা কেন্দ্র,প্রগতি লেখক সংঘ,ললিত কলা নিকেতন,পটুয়া খেলাঘর আসর,দখিনা খেলাঘর আসর, পটুয়াখালী আবৃত্তি মঞ্চ,মুক্ত প্রাঙ্গন,দখিনের কবিয়াল, আনন্দ শিল্পগোষ্ঠী,বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা,কবি সংসদ বাংলাদেশ,লালন স্মৃতি সংঘ অংশ গ্রহন করে।