দুমকিতে ৮ দিনের অভিযানে ৪টি নৌকাসহ ৬৩ হাজার মি.জাল আটক

3

এম. রহমান, দুমকি : পটুয়াখালীর পায়রা, পাতাবুনিয়া ও লোহালিয়া নদীতে টানা ৮দিনের অভিযানে মোট ৬৩হাজার মিটার কারেন্ট জাল আটক করে ভ্রাম্যমান আদালত। মৎস্য বিভাগ ও উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক পরিচালিত মোবাইল কোটের অভিযানে সরকারী নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘণ করে মা-ইলিশ শিকারে নামা জেলেদের ৩টি নৌকা ধ্বংস, ৪টি আটক এবং মোট ৬৩হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করে প্রকাশে পুড়িয়ে ভষ্ম করে দেয়া হয়। উপজেলা মৎস্য বিভাগ এ তথ্য নিশ্চিৎ করেছেন।

 

সূত্রটি জানায়, জোয়ার-ভাটা অনুসরণে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: হাফিজুর রহমান পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমানের নেতৃত্বে উপজেলা মৎস্য বিভাগের বিশেষ টিম ২৫সেপ্টের থেকে ৩অক্টোবর বিকেল ৩টা পর্যন্ত পায়রা, লোহালিয়া ও পাতাবুনিয়া নদীর রাজগঞ্জ-চান্দখালী, হাজির হাট, আলগি, পশ্চিম লেবুখালী, লেবুখালী, পশ্চিম আংগারিয়া, বাহেরচর, জলিশা, কদমতলা, উত্তর মুরাদিয়া, সন্তোষদি, চরগরবদিসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৬৩হাজার মিটার কারেন্ট জাল আটক করতে সক্ষম হন। অভিযানে ৩টি জেলে নৌকা ধ্বংস, ৪টি আটক করা হয়। অভিযান ট্রলার দেখামাত্র জেলেরা জাল ফেলে তীরে উঠে দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা যায়নি বলে দাবি মৎস্য কর্মকর্তার। এদিকে মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারী ও পুলিশের বিরুদ্ধে জেলেদের কাছ থেকে গোপনে ইলিশ মাছের ভাগ নেয়া ও শর্তানুসারে টাকা হাতিয়ে জেলেদের ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ এলাকাবাসীদের। বাহেরচর ও আলগি গ্রামের বেশ কয়েকজন পথচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই অভিযোগ করেছেন। সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মাহববুবুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে যুগান্তরকে বলেন, অভিযান অব্যাহত আছে। তবে অভিযানের ট্রলারের শব্দ শুনে জাল ফেলে পালিয়ে যাওয়ায় জেলেদের কাউকে আটক করা যায়।#