দুমকি-বাউফল সড়কের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

2

মজিবুর রহমান ,দুমকি প্রতিনিধিঃ  সড়ক ও জনপদ বিভাগের নোটিশের নির্ধারিত সময়ের পূর্বেই পটুয়াখালীর দুমকি-বাউফল সড়কের দু’পার্শের অবৈধ দোকান পাট স্থাপণা সাফ হয়ে যাচ্ছে। সওজের উচ্ছেদ নোটিশ প্রাপ্ত মালিকরা নিজেরাই সরকারী যায়গা থেকে স্ব-উদ্যোগে ঘর সরিয়ে নিতে শুরু করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, গত ২৪ জুলাইয়ের মধ্যে পটুয়াখালী  জেলার সকল সওজ’র রাস্তার পার্শ্বের অবৈধ দোকান-পাট, স্থাপনা সরিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট দোকান মালিকদের নোটিশ দেয় কর্তৃপক্ষ। নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রান্তের পর অবৈধ দখল উচ্ছেদের কথা রয়েছে। এদিকে কর্তৃপক্ষের নোটিশ প্রাপ্তির পরেই দুমকি- বাউফল সড়কের দুমকি থানা ব্রিজ, রাজাখালী, তালতলি, বোর্ড অফিস বাজার ও চরগরবদি ফেরীঘাট এলাকায় অনেক গুলো অস্থায়ী দোকান ঘর সরিয়ে নেয় দোকান মালিকরা। এখনও চলছে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেয়ার কার্যক্রম। গতকাল রবিবার (২৪ জুলাই) বেলা ১১টায় দুমকি থানা ব্রিজস্থ চায়ের দোকান্দার ছিদ্দিক হাওলাদার জানান, সড়ক ও জনপদের নোটিশ পাওয়ার পর পরই মালিকরা দোকানের মালামাল অন্যত্র সরানোর জন্য বলে দেয়। মালিকরা যে যেমন পারছে, সড়কের যায়গা ছেড়ে পেছনে ঘরতোলার চেষ্টায় আছে। ফলের দোকানী তোফাজ্জেল হোসেন বলেন, আমাদের একটু কস্ট হলেও অবৈধ দোকান পাট সরিয়ে নেয়ায় ফাঁকা রাস্তায় যানবাহন চলাচলে ভালোই হয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানাযায়, লেবুখালী পাগলার মোড় থেকে চরগরবদি পর্যন্ত অর্ধশতাধিক দোকান মালিকরা স্ব উদ্যোগে সরিয়ে নিয়েছে। এখনও চলছে দোকান সরানোর কাজ। এর পর্ওে অনেক অবৈধ দোকানপাঠ রয়ে গেছে। এ সড়কের দায়িত্বরত সুপারভাইজার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, যারা স্ব উদ্যোগে তাদের দোকান সরিয়ে নিয়েছেন তারা ভালো কাজ করেছেন। আর যারা এখনও সরিয়ে নেন নাই বা সরাবেন না তাদের জন্য অবশ্যই সড়ক বিভাগের বুল্ডুজার প্রস্তত হয়েছে। দোকান সরানোর খরচও সংশ্লিষ্ট দোকান মালিকদের কাছ থেকে কর্তৃপক্ষ আদায় করে নেবেন।