দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশ করায় ফুসে উঠেছে  সাব- রেজিস্ট্রার ও তার সহযোগীরা

5

মোঃ বাদল হোসেন মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ মির্জাগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রারের দুর্নীতির সংবাদ ্রপ্রকাশিত হওয়ায় ফুসে উঠেছে সাব-রেজিস্ট্রার ও তার দুর্নীতির সহযোগীরা। জানা গেছে, সাব- রেজিস্ট্রার ফজলে রাব্বি’র কমিশন বানিজ্য ও অবৈধ অর্থ লেন-দেনের মূলহোতা পেশকার নুরুজ্জামান, দেলোয়ার হোসেন, সঞ্জিব ও দলিল লেখক মো. শাহজাহান  । নানা কৌশলে জমি ক্রয়-বিক্রয় করতে আসা ব্যক্তিদের কাছ থেকে দলিল  লেখকেরা হাতিয়ে নিচ্ছেন অতিরিক্ত অর্থ । এ ছাড়া ও তারা সরকারী রেজিস্ট্রি ফি ৯% এর পরিবর্তে নেওয়া হচ্ছে ১৩% থেকে১৫% পর্যান্ত । আর সাব-রেজিস্টারকে অতিরিক্ত দিতে হচ্ছে প্রতি দলিলে লাখ প্রতি ২হাজার থেকে ৩ হাজার টাকা। সংশিষ্টদের অভিযোগ এ সকল অবৈধ অর্র্থের লেদেনের মুল হোতা পেশকার নুরুজামান এর মাধ্যমে হয়ে থাকে।অপরদিকে পেশকার নুরুজামান ও অফিস সহকারী দেলোয়ারের  বাড়ী মির্জাগঞ্জে হওয়ায় বীরদর্পে চালিয়ে যাচ্ছেন এমন অনৈতিক কর্মকান্ড। এদিকে নুরুজ্জামান নিজেকে বিভিন্ন সময় সাব-রেজিস্ট্রার পরিচয় দিয়ে সাধারন মানূষকে হয়রানি করছেন। অপরদিকে পটুয়াখালী  রেকর্ড রুমে কাজ করার সুবাদে নানা কৌশলে কবলা দলিলের দাতাÑগ্রহিতাদের কাজ থেকে নুরুজ্জামান হাতিয়ে নিচ্ছেন লাখ লাখ টাকা। জেলা রেজিস্ট্রারকে ম্যানেজ করে দুইটি গুরুত্বপূর্ন স্থানে দায়িত্বে থাকায় ক্ষোভ জানিয়েছেন সংশিষ্টরা। জেলা রেজিস্ট্রার অফিসের অনেকেই জানিয়েছেন সাব-রেজিস্ট্রারের সকল

প্রকার লেন-দেন পেশকারের মাধ্যমেই হয়ে থাকে। তবে এ সকল অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবী করেন মির্জাগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের পেশকার মো. নুরুজ্জামান।

এব্যাপারে  সাব-রেজিস্ট্রার ফজলে রাব্বি’র জানান বিভিন্ন ফিসের নামে জমি ক্রয়Ñ বিক্রয়ের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত টাকা নেয়ার বিষয়টি আমার জানা নেই ।