দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে ১৩২০ মেগাওয়াট  তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাজ

5

 

গোফরান পলাশ, কলাপাড়া প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ১৩২০ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। উপজেলার ধানখালী ইউনিয়নের প্রকল্প এলাকায় চলছে এ কর্মযজ্ঞ। ইতোমধ্যে বেড়িবাঁধ ও বালুভরাটের কাজ প্রায় শেষের পথে। প্রকল্প এলাকায় নির্মাণ করা হয়েছে হেলিপ্যাড, ওয়াচ টাওয়ার ও ভিভিআইপি গেষ্টহাউস। যথা সময়ে প্রকল্পের কাজ শেষ করার জন্য পর্যাপ্ত শ্রমিক নিয়োজিত করা হয়েছে। পায়রা সমুদ্র বন্দরসহ দেশের বিদ্যুতের চাহিদা পূরণের ক্ষেত্রে এ তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছে প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।

জানা যায়, নর্থওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি, বাংলাদেশ এবং চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি ইমপোর্ট এন্ড এক্সপোর্ট কর্পোরেশন (সিএমসি) এর যৌথ উদ্যোগে তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রেটির নির্মাণ কাজ করবে। প্রায় এক হাজার একর ভূমি অধিগ্রহণ ও ভূমি উন্নয়ন কর বাবদ “ল্যান্ড অ্যাকুইজেশন, ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড প্রটেকশন ফর পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট থার্মাল পাওয়ার প্লান্ট’ শীর্ষক এ প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৭৮২ কোটি ৬২ লাখ টাকা। ২০১৯ সালের মধ্যে এটি বাস্তবায়ন করা হবে। এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নির্মাণ করা হলে বিদ্যুত সমস্যার লাঘব হবে বলে তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান।

জানা যায়, পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট থার্মাল পাওয়ার প্লান্ট প্রকল্পের জন্য ধানখালী ইউনিয়নের মধুপাড়া ও নিশানবাড়িয়া মৌজার মরিচবুনিয়া,দাসের হাওলা, মাছুয়াখালি, গরাৎ খাঁ, চর নিশানবাড়িয়া এবং মধ্য দাসের হাওলা গ্রামের ১৩৮ টি ঘর সরানো হয়েছে। এছাড়া ওই গ্রামগুলির অন্তত: ১২০০ পরিবারের প্রায় এক হাজার একর কৃষি জমি অধিগ্রহন করা হয়েছে।

বাংলাদেশে ডিজেল প্লান্ট প্রজেক্ট ইনঞ্জিনিয়ার মিঠুন শিকদার জানান, এ তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে পাওয়ার প্লান্ট ব্যবহার করা হবে। এতে পরিবেশের কোন প্রকার ক্ষতি হবেনা।

পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট থার্মাল পাওয়ার প্লান্ট প্রকল্পের এনডিই’র ম্যানেজার অনিমেষ বিশ্বাস জানান, বর্তমানে এখানে প্রায় তিন হাজার লোক কাজে নিয়োজিত রয়েছে। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্থদের জন্য আবাসন করে দেওয়ার সিদ্ধান্তও নেয়া হয়েছে। ২০১৯ সালের মধ্যেই এটি বাস্তবায়ন করা হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।