নিরপেক্ষভাবে কাজ করে  দেশবাসীর আস্থা অর্জনই বড় চ্যালেঞ্জ –সিইসি কে.এম. নূরুল হুদা

1

 

অতুল পাল, বিশেষ প্রতিনিধি: প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে.এম. নূরুল হুদা  বলেছেন, নিরপেক্ষভাবে কাজ করে সকল রাজনৈতিক দল ও দেশবাসির কাছে আস্থা অর্জনই আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। দেশের সংবিধান, নির্বাচনী আইন-কানুন মেনেই যাবতীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই দেশের বিভিন্ন এলাকায় দু’একটি নির্বাচন হয়েছে। সে নির্বাচন আমরা অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাইে করেছি। ওই নির্বাচনগুলো দেখলেই বোঝা যাবে আমরা সুনির্দিষ্ট কোন রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করিনা। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যাতে সকল রাজনৈতিক দল অংশ গ্রহণ করে সে লক্ষে নির্বাচন কমিশন কাজ করে যাচ্ছে। আশা করি এ নির্বাচন কমিশনের ওপর সকল রাজনৈতিক দলের আস্থা থাকবে। আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি এবং বিএনপিসহ অন্যান্য সকল রাজনৈতিক দলগুলো আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেবে এমনটাই আমরা প্রত্যাশা করি। গণতন্ত্রের মূল ভাষাই হচ্ছে সমালোচনাকে সম্মান করা। বাংলাদেশে নির্বাচন কমিশন নিয়েও সমালোচনা হয়। আমারা আমাদের কাজের মাধ্যমে সে সমালোচনার জবাব দিচ্ছি। মোদ্দা কথা আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হবে হবে হবেই এটা দৃঢ়ভাবে বলতে পারি।

দেশের বড় রাজনৈতিক দল বিএনপি বর্তমান নির্বাচন কমিশনকে আওয়ামী লীগের ম্যান্ডেট বাস্তবায়নের জন্য বসানো হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন, এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, এমন ধারণা তারা কোথায় পেয়েছেন সেটা আমার জানা নেই। তবে আমাদের কাজে তাদের আস্থা ফিরে আসবে, এমনটাই আমরা মনে করি।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি অংশ গ্রহণ না করলে রাজনৈতিক দল হিসেবে তাদের নিবন্ধন বাতিল হয়ে যাবে কী না এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, এমন ধরণের পরিবেশ এখনো হয়নি। এমন কোন পরিস্থিতির সম্মূখীন যাতে আমাদের হতে না হয় সেজন্য নির্বাচন কমিশন কাজ করছে।

সিইসি কে.এম. নূরুল হুদা বুধবার সকালে তাঁর পিতা-মাতার কবর জিয়ারত করতে নিজ এলাকা পটুয়াখালীর বাউফলের নওমালা এলাকায় এলে তাঁর বাসভবনে স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে একান্ত মতবিনিময়কালে তিনি ওই মতামত ব্যক্ত করেন। এর আগে গত মঙ্গলবার পটুয়াখালীর গলাচিপা পৌরসভা ও রাঙ্গাবালী উপজেলা পরিষদের নির্বাচন নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে মতবিনিময় করেছেন। বিকেলে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবেন।