পটুয়াখালীতে শেষ মুহুূর্তে ঈদের কেনা-কাটা বেশ জমে উঠেছে

1

 

জাহাঙ্গীর হোসেন,পটুয়াখালী প্রতিনিধি॥ পটুয়াখালীতে শেষ মুহুূর্তে ঈদের কেনা-কাটা বেশ জমে উঠেছে।  ক্রেতা আকার্ষন করতে শহরের অভিজাত শপিং মল ও দোকান গুলোতে বর্নিল সাজে সাজানো হয়েছে। গত ক’দিন ধরে শহরের পৌর নিউমার্কেট, পুলিশ সুপার মার্কেট, সদর রোড, লঞ্চঘাট, পুরান বাজার সহ বিভিন্ন অলিগলির ল্যাডিস, জেন্টস টেইলার ও কসমেটিকসের দোকান গুলোতে কেনা-কাটার ব্যস্ততা দেখা গেছে।  বাহারি রংঙ্গের বৈচিত্রময় নামীধামী নানা ধরনের পোশাকে সেজেছে মার্কেটের ছোট-বড় শপিং মল ও দোকান গুলো। থেমে থেমে বৃষ্টি ও তীক্ষ রৌদ্র  উপেক্ষা করে এ সব দোকানে গুলোতে নারী-পুরুষের পাশাপাশি শিশু কিশোর-কিশোরীদের ভীর লক্ষ্য করা গেছে। ঈদ কেনাকাটায় শিশু থেকে শুরু করে সব বয়েসের মানুষের পদচারনায় মুখরিত পটুয়াখালী শহরের শপিংমল ও বিপনিবিতান গুলো। থ্র-পিস,শাড়ি, পাঞ্জাবি, লুঙ্গি, লেডিস-পোশাক ও নতুন নতুন ডিজাইনের জুতা সহ নানা ধরনের পোশাকের মধ্যে শিশু ও মহিলাদের পোশাকের চাহিদা অনেক বেশি। এর মধ্যে কিরনমালা, কটকটি পোশাকের চাহিদা রয়েছে বেশি। আবার সামার্থ্য অনুয়ায়ী কেউ বড় বড় দোকানে, আবার কেউ যায় কাটা কাপড় নিয়ে দর্জির দোকানে। দর্জির দোকানেও উপচে পড়া ভীর লক্ষ্য করা গেছে। তাদের যেন দম ফেলানোর সময় নেই। দর্জি দোকানে অর্ডারী নেয়া বন্ধ করে দিয়েছে। শহরসহ গ্রামের বিভিন্ন হাট-বাজারের  দোকান গুলোতেও ক্রেতাদের ভীর লক্ষনীয়। তবে গতবারের চেয়ে এবারে থ্রি-পিস, টু-পিস ও শাড়ির মূল্য অনেক বেশী হলেও বেচা-বিক্রি বেড়েই চলছে। দোকানীরা জানান,থ্রি-পিসের মধ্যে কিরনমালা ও কটকটি বেশি বিক্রি হচ্ছে। আর ছেলেদের পোশাকে বিভিন্ন মডেলের টি-শার্ট এবার নজর কেড়েছে। চাহিদার কাপড় দাম চড়া হলেও ক্রেতারা তাদের পছন্দের পোশাক নিতেই চেষ্টা করছে। এছাড়া ঈদের বাজারে বিভিন্ন জুতা ও কসমেটিকসের দোকানেও প্রচুর ভীর লক্ষ্য করা গেছে। বাজার মনিটরিং না থাকায় দোকানীরা তাদের ইচ্ছামতো অধিক দামে কেনা-বিক্রি করছে। সাধারন মানুষ বেশী মুনাফাকারী অসাধু দোকানী ও কর্মচারীদের কাছে প্রতারনার স্বীকার হচ্ছে। ক্রেতাদের আকৃস্ট করতে পৌর নিউমার্কেট, পুলিশ সুপার মার্কেট ও সদর রোড গার্মেন্টস দোকানীরা জোটবেঁেধে মোটর বাইক, ফ্রিজ, টিভি সহ বিভিন্ন আর্কষনীয় লটারীর ব্যবস্থা করেছেন। কদরের নাময শেষে আরো বেশী কেনা-বেচা হবে বালে একাধিক দোকানীরা জানায়।