পূন্য ¯œানের  মধ্য দিয়ে শেষ হলো কুয়াকাটার রাস উৎসব

1

09

 

আবুল হোসেন রাজু, কুয়াকাটা : পূন্য ¯œানের মধ্য দিয়ে শেষ হলো তিনদিন ব্যাপী কুয়াকাটার রাস উৎসব। গতকাল বৃহস্পতিবার সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সমূদ্র ¯œান শেষে যুগল মুর্তি দর্শন করেছে কুয়াকাটায় রাস উৎসবে আগত লাখো পূন্যার্থী। গত বুধবার বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মোঃ গাউস প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ উৎসবের উদ্বোধন করেন। রাতভর চলে শ্রী কৃষ্ণের নাম যজ্ঞানুষ্ঠান। গত মঙ্গলবার বিকেলে কুয়াকাটা রাধাগোবিন্দ সেবাশ্রমে পুজার্চনার মধ্যে দিয়ে তিন দিন ব্যাপী এ উৎসব শুরু হয়।

তিন দিন ব্যাপী এ রাস লীলা উৎসবে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রায় লক্ষাধিক পূন্যার্থী ও দর্শনার্থীর সমাগম হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাস উদযাপন কমিটি। বৃহস্পতিবার সকালে পূর্ণিমার লগ্নে হাজার হাজার পূন্যার্থীরা উলু ধ্বনি দিতে দিতে এক যোগে সমুদ্রে গঙ্গাস্নানে ঝাঁপিয়ে পরেন। সমুদ্রে স্নান শেষে শ্রী শ্রী রাধা কৃঞ্চের যূগল দর্শন করে বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত পূণ্যার্থী ও দর্শনার্থীরা নিজ নিজ গন্তব্যে যেতে শুরু করেন। তবে শ্রী শ্রী রাধা কৃঞ্চ মন্দির কমিটি জানিয়েছেন বুধবার দিনগত রাত ৪ টা ৪৬ মিনিটে পূর্নিমার লগ্ন শুরু হওয়ায় অনেকে বুধবারেও  গঙ্গাস্নান করেছেন । স্থাণীয় প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা,রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ শ্রী শ্রী রাধা কৃষ্ণ মন্দির ও মেলা পরিদর্শন করেছেন।

মেলায় বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রায় ৩ শতাধিক ভাসমান দোকানিরা রং বে রংঙের বাহারি মেলার সামগ্রীর পসরা বসিয়ে ছিল। অপরদিকে কুয়াকাটা হোটেল মোটেল সুত্রে জানান,এ বছর রাস মেলা ও গঙ্গাস্নান উৎসবে একাধিক আবাসিক হোটেলের রুম খালি রয়েছে। মেলা উপলক্ষে ভিআইপি ও প্রথম শ্রেনীর পর্যটক এবং দর্শনার্থীরা কুয়াকাটায় এবার খুবই কম এসেছে। অন্যান্য বারের চেয়ে এ বছর মেলায় ব্যবসায়ীদের বেচা কেনা খুবই কম হয়েছে বলে দাবি করেন তারা । গত বারের চেয়ে এবছর পূণ্যার্থীদের আগমন ছিল অনেক কম। প্রশাসনের পক্ষ থেকে রাস মেলায় আগত পূণ্যার্থীদের নিরাপত্তা দিতে আনসার ভিডিপি,পুলিশ,র‌্যাব,গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলে পর্যটন নগরী কুয়াকাটাকে। বিভিন্ন পয়েন্টে চেক পোষ্ট এর মাধ্যমে পূন্যার্থীদের নজর রাখা হয়েছে।

কুয়াকাটা শ্রী শ্রী রাধা কৃষ্ণ মন্দিরের পরিচালক ও পুরোহিত শিশির মহারাজ জানান, বুধবার সকালে পূর্ণিমার লগ্ন শুরু হওয়ার পর পরই বেশির ভাগ পূণ্যার্থীরা স্নান সেরে যার যার গন্তব্যে চলে গেছে। বুধবার যে সব পূন্যার্থীরা রাস উৎসবে যোগ দিতে এসেছেন,তারা পূর্ণিমার লগ্ন শেষ হওয়া পর্যন্ত স্নান সেড়ে বৃহস্পতিবার ভোরে কুয়াকাটা ত্যাগ করছেন।