“প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও তীব্র নিন্দা”

8

 

 

গত ৮ডিম্বের দৈনিক পটুয়াখালী প্রতিদিন পত্রিকায় আমাকে জড়িয়ে “দুদক চেয়ারম্যানের কাছে অভিযোগ পটুয়াখালী দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারন সম্পাদক আনোয়ার হোসেন দুদকের নাম ভাঙ্গিয়ে গড়েছেন বিপুল বৈভব” শিরোনামে যে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে তা সম্পূর্ন মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীনও উদ্দ্যেশ প্রনোদিত এবং মানহানিকর বটে। আমার সামাজিক অবস্থান এবং আমি ও আমার পরিবারের মান সম্মান ক্ষুন্ন করার জন্য একটি চিহ্নিত কুচক্রীমহল এ মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করতে সহায়তা করেছেন।

 

এ ছাড়া আমাকে জড়িয়ে আপনার পত্রিকায় যেসব মিথা,ভিত্তিহীন,বানোয়াট ও কুরুচিপূর্ন সংবাদে বলা হয়েছে আমি ৩টি ডায়াগনোষ্টিক সেন্টারের মালিক। প্রকৃতপক্ষে ১৫৬ শেয়ার হোল্ডার নিয়ে বায়োসেভ  ডায়াগনোষ্টিক সেন্টার। কলাতলা বাজার সংলগ্ন বাজারে এর একটি শাখা অফিস থাকলেও তার কার্যক্রম এখনও শুরু করা হয়নি। এই  শেয়ারের মধ্যে আমি ও আমার স্ত্রীর নামে দুটি শেয়ার রয়েছে। এ প্রতিষ্ঠানে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছি। ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে দুর্নীতি দমন কমিশন দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি গঠন করা হয়। যার অংশ হিসেবে পটুয়াখালীতে জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ ১৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটিতে আমাকে সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। এ প্রতিষ্ঠানে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছি। যার ফলশ্রুতিতে পরপর দু’বার বরিশাল বিভাগের মধ্যে পটুয়াখালী শ্রেষ্ঠ প্রতিরোধ কমিটি হিসেবে পুরুস্কার লাভ করি। এখানে দুদকের নাম ভাঙ্গিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ সত্য নয়।

 

প্রকাশিত সংবাদে আরো উল্ল্যেখ করা হয়েছে, আমি মাদ্রাসা থেকে দাখিল পাস করেছি এবং ১৯৭৫ইং সালের  ৪ জানুয়ারী আমার জম্ম তারিখ দেখানো হয়েছে যা সম্পূর্ন মনগড়া ও ভিত্তিহীন। ১৯৯৭ সালে দৈনিক সাথী পত্রিকাটি জনৈক আবদুস সত্তার মিয়ার কাছ থেকে ক্রয় করে সুনামের সাথে আমার সম্পাদনায় পত্রিকাটি প্রকাশিত হয়ে আসছে।

 

শহরের আদালত পাড়ায় আমার যে বাড়িটি রয়েছে তা দীর্ঘদিনের জমাকৃত ব্যবসায়ের অর্থ ও ব্যাংক ঋনের মাধ্যমে নির্মান কাজ চলছে। যা অবৈধ অর্থে তৈরী কথাটি সঠিক নয়। আমি ও আমার স্ত্রী ২০০৭ সাল  থেকে নিয়মিত করদাতা হিসাবে আয়কর দিয়ে আসছি।

 

 

আমি এই সংবাদের প্রতিবাদ ও তীব্র নিন্দা জানাই।