প্রধান মন্ত্রীর কাছে মুক্তিযোদ্ধা জাহাঙ্গীর মাষ্টারের ফরিয়াদ মৃত্যুর আগে অবসর ভাতা পেতে চাই

5

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ মুক্তিযোদ্ধা জাহাঙ্গীর মিয়ার গ্রামের বাড়ী পটুয়াখালী সদর উপজেলার ছোট বিঘাই গ্রামে ।মির্জাগঞ্জ ইয়ারিয়া আলিম মাদ্রাসার জুনিয়র শিক্ষক মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জাহাঙ্গীর মিয়া অবসর গ্রহনের দেড় বছর অতিবাহিত হলেও পাননি অবসর ভাতা। অসুস্থ জাহাঙ্গীর মিয়া টাকার অভাবে চিকিৎসা না করে মানবেতর জীবন যাপন করছেন।প্রধান মন্ত্রীর কাছে তার ফরিয়াদ মৃত্যুর আগে অবসর ভাতা পেতে চায়।

মুক্তিযোদ্ধা জাহঙ্গীর মিয়ার জানান ১৯৭১ সালে ছাত্রথাকা কালীন অবস্থায় দেশের ক্লান্তি কালে পাকহানার বাহিনীর বিরুদ্ধে জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে নিজের জীবন বাজী রেখে যুদ্ধকালীন কমান্ডার আঃ বারেক মিয়ার নেতৃত্বে দক্ষিন অঞ্চলের বিভিন্ন জায়গায় যুদ্ধে অংশ গ্রহন করি । পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখ যুদ্ধে অংশ নিয়ে সাফ্যল্যের সাথে হানাদর বাহিনীকে পরাস্থ করে দেশ স্বাধীন করি।  দেশ স্বাধীন করেছি বঙ্গবন্ধুর ডাকে নিজের সার্থে নয় তাই কখনও সার্টিফিকেট এর চিন্তা করি নাই । তার পরও মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে  ১৯৭২ সালের ২৯ ফ্রেুয়ারী  গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বশস্ত্র বাহিনী প্রধান , বরিশাল জোনের অধিনায়ক মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে আমাকে একটি সার্টিফিকেট প্রদান করেন।

পরবর্তীতে পরিবার বর্গ নিয়ে বেচেঁ থাকার তাগিদে এদেশের সন্তানদের মুক্তিযোদ্ধার আদর্শে মানুষ করার কারিগড়  হিসাবে ১৯৮৫ সালের ২০ এপ্রিল মির্জাগঞ্জ উপজেলার মির্জাগঞ্জ ইয়ারিয়া আলিম মাদ্রাসার জুনিয়র শিক্ষক হিসাবে যোগদান করি। দির্ঘ্যদিন শিক্ষকতার পেশায় সাফাল্যের সাথে কাজ করে ২০১৫ সালের ৪ এপ্রিল অবসরে যাই । অবসরে যাওয়ার পরে বিভিন্ন রোগে শোগে আক্রান্ত হয়ে পরি । এক সময় কঠিন ব্যাধি যক্ষা রোগে আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন খ্যাত নামা চিকিৎসকের চিকিৎসা নিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার দেনা হয়ে পরি। বর্তমানে চিকিৎসাতো দুরের কথা ৬ সদস্যর পরিবার নিয়ে অর্ধাহারে-অনাহারে দিনাতিপাত করছি। উন্নত চিকিৎসার জন্য চিকিৎসক ভারতে জাওয়ার পরামর্শ দেন কিন্তু অর্থাভাবে ধুকে ধুকে দিনাতিপাত করছি। চাকুরি শেষে মানুষের শেষ সম্ভল অবসর ভাতা । আবেদন করার দেড় বছর পরেও পেলাম না সেই অবসর ভাতা। দীর্ঘদিন বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক কর্মচারী অবসর সুবিধাবোর্ড ও কর্মচারী কল্যান ট্রাষ্ট্র সুবিধা বোর্ডের কতৃপক্ষের নিকট বার বার ধর্না ধরেও কোন লাভ হয়নি।

বর্তমান মুক্তিযোদ্ধা বান্ধব সরকার ক্ষমাতায় থাকা অবস্থায় আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা হয়েও শেষ বয়সে এসে অবসর ভাতা না পেয়ে সু চিকিৎসার অভাবে ধুকে ধুকে মরছি। এ কথা জানাবো কারকাছে ? আমার মৃত্যুর পরে এ টাকা দিয়ে কি হবে ? এখন সাংবাদকিদের মাধ্যমে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধান মন্ত্রীর নিকট আমার আকুল আবেদন আমি আমার পেনশন ভাতা জীবিত থাকা অবস্থায় পাইতে চাই।