ফরেস্টার প্রণব কুমার মিত্র’র অত্যাচার ও মিথ্যা মামলায় অতিষ্ট হয়ে অসহায় মৎস্যজীবিদের সংবাদ সম্মেলন

7

 

হ্রদয় আশিষঃ পটুয়াখালী জেলার রাঙ্গাবালী থানার  মৌডুবি বন বিভাগের কর্মকতা প্রণব কুমার মিত্র ও দালাল মহিবুল্লাহ ভূইয়ার নির্মম অত্যাচার ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মৌডুবি ৯নং ওয়ার্ডের ভুইয়াকান্দা গ্রামের নির্যাতিত অসহায় মৎসজীবীদের আয়োজনে পটুয়াখালী প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সোমবার বেলা  ১১ টায় সংবাদ সম্মেলনে পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের সভাপতি কাজী শামসুর রহমান ইকবাল এর সভাপতিত্বে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মৎসজীবি জেলেদের পক্ষে জেলে ইদ্রিস সিকদার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি সাবাদিক কে.এম এনায়েত হোসেন, সাবেক সভাপতি নির্মল কুমার রক্ষিত, মানবাধীকার কর্মী সুজন মাহামুদ সুমন ও আব্দুল কাদের, মৎসজীবি জেলেদের মধ্যে রাসেল, হোসেন, শহিদ গাজী ও শাহা সিকদার। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।

সংবাদ সম্মেলনে নির্যাতিত অসহায় জেলে পরিবার তাদের বক্তব্যে বলেন, আমরা অত্র অঞ্চলের গরীব মৎসজীবি। আমরা উপজেলা কর্মকর্তা ও চেয়ারম্যান এ অনুমোদন সাপেক্ষে সরকারি নিয়ম-কানুন মানিয়া মাছ ধরিয়া পরিবার পরিজন নিয়ে জীবিকা অর্জন করিতেছি। কিন্তু মৌডুবি ফরেস্ট ক্যাম্প এর ফরেস্টার প্রণব কুমার মিত্র ও দালাল মহিবুল্লাহ ভূঁইয়া এদের অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে পরেছি। এই ফরেস্টার প্রাই আমাদের কাছে চাঁদা দাবী করে আর চাঁদা দিতে ব্যার্থ হলে সে অসহায় জেলেদের উপর চালায় বিভিন্ন নির্যাতান। তারই প্রমান গত ১৫ জানুয়ারী ২০১৭ইং তারিখ আমাদের বিরুদ্ধে ১১ জনকে আসামী করে সাজানো মিথ্যা একটি মামলা করে (মামলা নং-৮৬(৩)/১)। তার এই মিথ্যা মামলার কারণে বিনা অপরাধে আসামী হইয়া বাড়ী-ঘর ছেড়ে বনে-জঙ্গলে ঘুরে বেড়াইতেছি। শুধু তাই নয় এই ফরেস্ট কর্মকর্তা প্রতি জোড়া মহিষের জন্য ৮০০টাকা এবং প্রতি জোড়া গরুর জন্য ৪০০ টাকা দুই তিন মাসের জন্য নেয়া সত্ত্বেও সে মাঝে মধ্যে গরু মহিষ অন্যাভাবে খোয়ারে আটকে রেখে পাঁচ-দশ হাজার টাকা চাঁদা আদায় করে। এছাড়া সমুদ্র গর্ভে মায়ার চর নামক জায়গায় মাছ ধরার সময় ফরেস্টার ট্রলার নিয়ে ধাওয়া করিয়া সাহা সিকদার ও রাসেল গাজী সহ আরও বেশ কয়েকজনকে বাদীর ট্রলারে তুলিয়া বেদম প্রহর করেন।

বর্তমানে ফরেস্ট অফিসার প্রণব কুমার মিত্র মিথ্যা দায়ের করা মামলাটি বিভিন্ন মানুষের মাধ্যমে উঠিয়ে নেওয়ার জন্য দুই লক্ষ টাকা দাবী করে। তাই ফরেস্টার প্রণব কুমার মিত্র ও দালাল মহিবুল্লাহ ভূঁইয়া এদের অত্যাচার থেকে পরিত্রান পেতে কোন পথ না দেখে আপনাদের স্মরনাপন্ন হয়ে সংবাদ সম্মেলন করতে বাধ্য হয়েছি। আপনারা আপনাদের লিখনি শক্তির মাধ্যমে আমাদেরকে এই মিথ্যা মামলা ও অত্যাচারের হাত থেকে বাঁচান।

এদিকে অভিযুক্ত বন কর্মকর্তা প্রনব কুমার মিত্র জানায় ,অভিযুক্ত জেলেদের নামে মামলা হয়েছে বিধাই আমার নামে এই মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে ।