ফলোআপ কলাপাড়ায় মাদকের মামলা নিয়ে বিপাকে পুলিশ

0

 

বিশেষ প্রতিনিধি : পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি মো: ফিরোজ সিকদারের বিরুদ্ধে ইয়াবা ব্যবসার অভিযোগে মামলা দায়েরের তিন দিন পর এজাহারে উল্লিখিত আসামীর নাম-ঠিকানা সংশোধনের জন্য জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে পুলিশের আবেদন সাধারন মানুষের মাঝে রহস্যের সৃৃষ্টি করেছে।

 

এদিকে কলাপাড়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালেতের জ্যেষ্ঠ বিচারক মো: আনিছুর রহমান আসামীর নাম-ঠিকানা সংশোধনে পুলিশ কর্মকর্তা মো: নুরুল ইসলাম বাদলের ওই আবেদনটি মঞ্জুর না করে আবেদনটি মামলার নথিতে সামিল রাখার নির্দেশ প্রদান করেছেন।

 

এর আগে কলাপাড়া থানার উপ-পরিদর্শক মো: নুরুল ইসলাম বাদলের নেতৃত্বে পুলিশ রবিবার রাতে পৌরশহরের ২নং ওয়ার্ড থেকে মো: মুছা প্যাদাকে ৫পিচ ইয়াবা সহ গ্রেফতার করে। অত:পর মুছার স্বীকারোক্তিতে পৌর শহরের ৮নং ওয়ার্ডের মৃত মো: হালিম সিকদারের পুত্র  উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি মো: ফিরোজ সিকদার এবং ৩নং ওয়ার্ডের আবদুর রশিদ মাষ্টারের পুত্র মো: সাইদুর রহমানের নাম প্রকাশ পেলে পুলিশ মুছা সহ তিন জনের নামে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দায়ের করে, মামলা নং-২৩, তারিখ-২৪-০১-১৬। স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার নামে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দায়েরের বিষয়টি গনমাধ্যমে প্রকাশ পেলে কলাপাড়া থানা পুলিশ আসামীর নাম-ঠিকানা সংশোধনের জন্য জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে আবেদন করে।

 

উল্লেখ্য, কলাপাড়া-কুয়াকাটা এলাকার একাধিক স্পটে প্রকাশ্যে ইয়াবা-গাঁজার জমজমাট ব্যবসা চলে আসলেও পুলিশ এদের গ্রেফতার করতে পারছেনা। পুলিশের সাথে এ সকল অপরাধীদের সখ্যতার বিষয়টি লোকমুখে শোনা গেলেও কেউ পুলিশের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস করছেনা। সম্প্রতি র‌্যাব-৮ সদস্যরা শ্রমিকলীগ নেতা তারেককে ৫০ পিচ ইয়াবা সহ গ্রেফতার করার পর পুলিশ ৫পিচ ইয়াবা সহ মুছা প্যাদাকে গ্রেফতার করে।