বাউফলের আদাবাড়িয়া ইউপির সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী কমলেন্দু রায়ের গণসংযোগ

0

pic-3_498x600অতুল পাল, বিশেষ প্রতিনিধি : আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বাউফলের আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য প্রয়াত ডা: গনেশ চন্দ্র রায়ের ছেলে বিশিষ্ঠ সমাজসেবক মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান কমলেন্দু রায় গণ সংযোগ শুরু করেছেন। ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও সহযোগি সংগঠনের সিংহভাগ সদস্যদের সমর্থন পাওয়া কমলেন্দু একজন সৎ ও পরোপকারি মানুষ হিসেবে ইতিমধ্যেই সাধারন মানুষের মন জয়ে সক্ষম হয়েছেন। জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আ স ম ফিরোজ তাকে মনোনয়ন দিলে দলও সু-সংহত হবে এবং প্রার্থীও বিজয়ী হবে বলে স্থানীয়রা মতামত ব্যক্ত করেছেন।

জানা গেছে, গত ১৬ জানুয়ারী স্থানীয় এমপি ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ তার কালাইয়াস্থ বাসভবনে বাউফলের ১৫টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে রুদ্ধদার বৈঠক করে পরিস্থিতি মূল্যায়ণ করেছেন। ওই বৈঠকে বাউফলের সংখ্যালঘু অধ্যূষিত আদাবাড়িয়া ইউনিয়নে কমলেন্দু রায় চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দীতা করার জন্য নিজের অবস্থান সম্পর্কে অবহিত করেন। তিনি জানান, ইতিপূর্বে বেশির ভাগ সময়ে ওই ইউনিয়নে সংখ্যালঘু ভোটারদের ওপর ভিত্তি করে প্রার্থীরা বিজয়ী হলেও সংখ্যালঘুদের জন্য তেমন কোন কাজ না করায় তাদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। এছাড়া আওয়ামী লীগের বর্তমান চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সামসুল হক ফকির ও সাবেক চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর উল্লাহর মধ্যে প্রকাশ্য মতভেদ চলে আসছে। বর্তমান চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সামসুল হক ফকির জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজের সমর্থক। অপরদিকে স্থানীয় বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে চিফ হুইপের সহযোগিতা না পেয়ে সাবেক চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর উল্লাহ জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক ও বাউফল পৌরসভার মেয়র জিয়াউল হক জুয়েলের সমর্থক হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন। এ ঘটনায় মূলত: সংখ্যালঘু ভোটারসহ সাধারন ভোটাররা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সমর্থক একজন নতুন মুখ দেখতে চান বলে সরেজমিনে অনেক ভোটাররা জানিয়েছেন। অন্যথায় আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের দ্বন্দের কারণে তৃতীয় কোন পক্ষ ফসল ঘরে তুলে নেয়ার আশংকা রয়েছে। স্থানীয় আ. মন্নান হাওলাদার, মামুন হাওলাদার, আ. হক জোমাদ্দার ও সুখদেব কবিরাজ জানান, আওয়ামী লীগের কোন্দল মারাতœক রুপ ধারণ করেছে। আওয়ামী লীগের তৃণমূল পর্যায়ের সাধারন কর্মীরা নানা কারণে মুখ খুলছেননা। এ অবস্থায় নির্বাচনে কঠিন হিসেবে-নিকেশ করেই প্রার্থী দিতে হবে। আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের মধ্যে কমলেন্দু একজন সদালাপি, পরোপকারি এবং মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। এর আগে তিনি এ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বর থাকাকালিন সাধারন মানুষকে খুব কাছ থেকে ভালবেসেছেন। বর্তমানে তিনি অনেক সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত রয়েছেন। রাজনৈতিকভাবেও তিনি আওয়ামী লীগের একজন সক্রিয় সদস্য। একারণে তার অবস্থান বেশ সু-দৃঢ় বলেই মনে করা হচ্ছে। দলীয় প্রতীকে নির্বাচন করতে হলে ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ের প্রার্থী বাছাই কমিটির বিবেচনায় আসতে হবে। সে সময়টার জন্য আরো সপ্তাহ দুয়েক অপেক্ষা করতে হবে।