বাউফলে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে সরকারী গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ

0

কৃষ্ণ কর্মকার, বাউফল ঃ পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালিশুরি ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মো. দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে প্রায় ১৫লক্ষ টাকার সরকারি গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ ওই ইউপি সদস্য ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে ও বনকর্মকর্তাদের সাথে অনৈতীক সম্পর্কের মাধ্যমে সড়কের পাশের ওই সরকারী গাছ গুলো কেটে নিয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানাগেছে, ইউপি সদস্য দেলোয়ার হোসেন দরপত্র আহবানের মাধ্যমে কালীশুরী-বাহেরচর সড়কের উপকুল বেষ্টনির ১৫ নম্বর লটে ১৪ টি গাছ এবং ওই একই তফসিলের ২য় লটে ৩০টি এবং ১৭ নম্বর লটে ২৮টি গাছ সহ মোট ৭২টি গাছ ক্রয় করেন। নিয়ম অনুযায়ী টেন্ডরের মাধ্যমে বিক্রয় করা শুধু মার্কা দেওয়া নির্ধারিত গাছ গুলো কেটে নিতে হবে। কিন্তু ওই ইউপি সদস্য ওই সড়কের দুইপাশ থেকে দরপত্রের নির্ধারিত মার্কা দেওয়া গাছ ছাড়াও বিভিন্ন প্রজাতির মার্কাবিহীন গাছ কেটে নিয়েছেন। স্থানীয় ব্যাবসায়ীরা জানিয়েছেন মার্কাবিহীন যে গাছ গুলো ইউপি সদস্য কেটে নিয়েছেন তার বর্তমান মূল্য প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা। সরজমিনে দেখা গেছে, ওই সড়কের একাধিক স্থানে মার্কা ছাড়া গাছ কেটে নেওয়ার পর তা লুকানোর জন্য মাটি দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে গাছের গোড়া। মাটি সরিয়ে জায়গাগুলো পরিস্কার করলে সেখানে দেখা মেলে গাছের গোড়া। স্থানীয়রা জানায় ওই ইউপি সদস্য ক্ষমতার অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে টেন্ডারের বাইরেও প্রায় অর্ধশত গাছ কেটে নিয়েছেন।

অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মো. দেলোয়ার হোসেন জানায়, আমি মার্কা ছাড়া কোন গাছ কাটি নাই। টেন্ডারের মাধ্যমে প্রায় ৩লক্ষ টাকায় আমি ওই ৭২টি গাছ কিনেছি। আমার মানসম্মান ক্ষুন্ন করার জন্য কিছু লোকজন মিথ্যাচার করছে।

এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা বন কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন গাছ কেটে নেওয়ার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমরা ইতিমধ্যে ১৫টি মার্কা বিহীন কাটা গাছ জব্দ করেছি এবং আরো মার্কা ছাড়া কোন গাছ কাটা হয়েছে কিনা এ জন্য আমরা গাছের পরিসংখ্যান মিলিয়ে দেখার পাশাপাশি কেটে নেওয়া গাছ জব্দ করার জন্য বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি করছি। ##