বাউফলে ইলিশ নিয়ে কান্ড

0

বাউফল প্রতিনিধি ঃ এলাকার প্রভাবশালী এক আড়ৎদার রিপন মিয়া, তিনি সরকারী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে স্থানীয় জেলেদের দিয়ে অবাধে মা ইলিশ শিকার করিয়ে গোপন স্থানে মজুদ করছেন। খবর পেয়ে এ মাছ থেকে বখরা খেয়েছেন স্থানীয় কয়েকজন যুবক। আর এ কারনেই তেলে বেগুনে ক্ষেপে গিয়েছেন প্রভাবশালী ওই আড়ৎদার। বসিয়েছেন স্থানীয় চৌকিদার দিয়ে শালিশ। শালিশে ওই যুবকদের ২২ হাজার টাকা জরিমানা ধার্য করা হয়েছে। জরিমান না দিলে ওই যুবকদের করা হবে এলাকা ছাড়া। এমনই ঘটনা ঘটেছে শনিবার রাতে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া লঞ্চঘাট এলাকায়।

স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার কালাইয়া বন্দরের রিপন মিয়া সরকারী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তেঁতুলিয়ায় নদীতে অবৈধভাবে শিকার করা বিপুল পরিমান ইলিশ মাছ নিয়ে চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের রিয়াজ মাঝির ইঞ্জিন চালিত একটি ট্রলার কালাইয়া কমলাদীঘির ছোটখালে প্রবেশ করে শনিবার রাতে। এ খবর শুনে স্থানীয় কয়েক যুবক সেখানে পৌঁছে ট্রলারে উপস্থিত লোকজনের কাছ থেকে কয়েকটি ইলিশ মাছ নিয়ে যায়। এতে ক্ষুব্ধ হয় আড়ৎদার রিপন। স্থানীয় হারুন মিয়া ও নুরু চৌকিদারকে সঙ্গে নিয়ে দুই শতাধিক লোকের উপস্থিতিতে রবিবার শালিস বৈঠক বসায় ডকইয়ার্ড এলাকায়। শালিস বৈঠকে স্থানীয় লিকায়েত, মেহেদী, সাইফুল, অনুপ, শাকিল, ইমাম, ইমতিয়াজ, অনিক, আলামিন, সুজনসহ পনের যুবককে ২২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঘটনায় জড়িত এক যুবক বলেন, ‘ট্রলারযোগে অবৈধভাবে শিকার করা ইলিশ মাছ নিয়ে পালিয়ে খালে প্রবেশ করলে খাওয়ার জন্য আমি একটি মাছ চেয়ে নিই। এ সময় আরো ২০-৩০টি মাছ চেয়ে নেন কয়েকজন। এতে তিন হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয় আামার কাছ থেকে। মাছ নেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে মাধব মিস্ত্রীর ছেলে অনুপ ও নসু মিয়ার ছেলে সাইফুলের ছয় হাজার করে ১২ হাজার এবং যারা আদৌ মাছ নেয়নি তাদেরকে বিভিন্ন অংকে মোট ২২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।’

এ ব্যাপারে যোগাযোগের আড়ৎদার রিপন মিয়ার মোবাইলে সাংবাদিকরা ফোন দিলে লাইন কেটে দেন।