বাউফলে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ, পুলিশের ফাঁকা গুলি, আহত-৫

0

অতুল পাল, বিশেষ প্রতিনিধি: বাউফলে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের মধ্যে দু’দফা সংঘর্ষ হয়েছে। সংঘর্ষে উভয় গ্রুপের ৫ জন আহত হয়েছেন। এসময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ১ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোঁড়ে। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার বেলা ১২ টা দিকে বাউফল পৌরশহরের হাইস্কুল এলাকায় ওই ঘটনা ঘটেছে।

 

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বেলা ১১ টার দিকে সরকারি বাউফল কলেজে নবীনদেরকে স্বাগত জানিয়ে ছাত্রলীগ সভাপতি ইউসুফ প্যাদা ও সাধারন সম্পাদক সাইফুর রহমান শুভ’র নেতৃত্বে ক্যাম্পাসে একটি মিছিল বের করে। এসময় ছাত্রলীগের নেতা সুজন, কামরুল ও উপজেলা প্রজন্মলীগের যুগ্ন আহবায়ক মাহাবুবুর রহমান খোকন মিছিলে বাধা দেয়। এনিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। বেলা ১২ টার দিকে উভয় পক্ষ বাউফল হাই স্কুলের সামনে জাকিরের চায়ের ষ্টলে আসলে সেখানে আবারো কথা কাটাকাটি হলে উভয় গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ১ রাউন্ড ফাঁকা গুলি করে। সংঘর্ষের সময় উপজেলা ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক সামসুল কবির নিশাত, ও প্রজন্মলীগের খোকন এবং ইউসুফ প্যাদা, মাহাবুবুর রহমান শুভ ও দেবাশিষ শীল নামের ৫ জন আহত হয়। এসময় খোকনের ভাই মাহাবুবেবর কসমেটিক্সের দোকান ভাংচুর করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। সংঘর্ষের সময় আশপাশের দোকান পাট বন্ধ হয়ে যায় এবং বাউফল বগা সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক মাহামুদ রাহাত জামসেদ জানান, নিশাতের নেতৃত্বে বিএনপি সমর্থক একদল লোক অতর্কিত হামলা চালিয়ে ইউসুফ ও শুভকে হাঁতুড়ি পেটা করেছে। তবে নিশাত ওই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি বাড়ি থেকে রাস্তায় বের হওয়ার সময় তার ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়েছে। বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আযম খান ফারুকী জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বাধ্য হয়ে ১ রাউন্ড ফাঁকা গুলি  ছোঁড়তে পুলিশ বাধ্য হয়েছে।