বাউফলে বিদ্যুত উপকেন্দ্রের ফ্লোরে ধ্বস: বড় ধরণের দুর্ঘটনার আশংকা

0

অতুল পাল, বিশেষ প্রতিনিধি: পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আরইই-পিডিপি-১ প্রকল্পের আওতায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত বাউফল-২ কালিশুরী ৩৩/১১ কেভির ১০ এমভিএ ক্ষমতা সম্পন্ন বিদ্যুত উপকেন্দ্রটির ফ্লোরে ধ্বস  দেখা দিয়েছে। হস্তান্তরের পর দুই মাস যেতে না যেতেই ফ্লোর ধ্বসে যেতে থাকায় যে কোন সময় মারাতœক দুর্ঘটনা ঘটার আশংকা দেখা দিয়েছে।

জানা গেছে, বাউফলে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে বাউফলের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক বন্দর কালিশুরীতে ৩৩/১১ কেভির ১০ এমভিএ ক্ষমতা সম্পন্ন এই উপকেন্দ্রটি নির্মাণ করা হয়। বাউফলেরর মদনপুরা ইউনিয়নের চন্দ্রপাড়া গ্রামের আবুল কালাম আজাদ নামের এক ঠিকাদার এই উপকেন্দ্রটির নির্মাণ কাজ করেছিলেন। নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার পর চলতি বছর ২৮ মার্চ এই উপকেন্দ্রটি পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যৎ সমিতির কাছে হস্তান্তর করা হয়। ওই বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেছে, উপকেন্দ্রটির অভ্যন্তরে উত্তর পাশে বালুর উপরে ইটের তৈরি ফ্লোর ধ্বসে গেছে। উপকেন্দ্রটির পাশেই এটি বড় ডোবা রয়েছে। উপকেন্দ্রটির চার দিকে গাইড ওয়াল বা সুরক্ষা দেয়াল না থাকায় সেটি এখন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পরেছে। বৃষ্টির পানির সাথে ইটের নিচের বালু সরে গিয়ে ওই ডোবায় পরছে। ফলে যে কোন সময় এই বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রটিতে বড় ধরণের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। স্থানীয় লোকজন অভিযোগ করেছেন, ঠিকাদার দায় সারা ভাবে কাজ করায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

এ ব্যাপারে ওই উপকেন্দ্রের জুনিয়ার ইঞ্জিনিয়ার লোকমান হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি বাউফল পল্লী বিদ্যুতের জোনাল অফিসে অবহিত করা হয়েছে।

পল্লী বিদ্যুতের বাউফল জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার আবু বকর ছিদ্দিক জানান, সম্প্রতি হস্তান্তর করা উপকেন্দ্রের অবকাঠামো নির্মাণে কোন ক্রটি হলে ঠিকাদার ঠিক করে দিতে বাধ্য। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে।