বাউফলে বিধি উপেক্ষা করে শিক্ষকদের বদলির অভিযোগ

0

অতুল পাল বাউফল প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর বাউফলে সরকারী বিধি উপেক্ষা করে প্রাইমারী স্কুলের শিক্ষকদের বদলি করা হয়েছে । জেষ্ঠতার ভিত্তিতে বদলির নিয়ম থাকলেও তা উপেক্ষা করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে । শুধু তাই নয়,  ডেপুটেশন থাকা শিক্ষকদের ক্ষেত্রে বদলীর বাধকতা থাকলেও তা মানা হয়নি। এ ছাড়াও চার কোঠার স্কুলের কোন শিক্ষককে বদলীর পূর্বে ওই স্কুলে একজন শিক্ষক প্রতিস্থাপন না করে কাউকে  বদলী করা যাবেনা  সরকারের এমন  নির্দেশও লঙ্ঘন করা হয়েছে । উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রঙ্গলাল রায় সম্প্রতি (২৮ মার্চ) শিক্ষা কমিটির সভায় তথ্য গোপন করে এ অনৈতিক কাজটি করেছেন। ১০৪ নং পূর্ব জৌতা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শারমীন আক্তার অভিযোগ করেন বলেন, আমি হাসনাবাদ সরকারী প্রাইমারী স্কুলের জেষ্ঠতার ভিত্তিতে বদলী হয়ে আসার জন্য নিয়মানুযায়ী আবেদন করি। এরপর অফিস থেকেও আমাকে আশ্বস্ত করা হয়, কিন্তু কি হইল কিছুই বুঝতে পারলাম না। আমার স্থলে এক জুনিয়র শিক্ষককে সেই স্কুলে বদলী করা হয়। ২৮নং পূর্ব ভরিপাশা সরকারী প্রাইমারী স্কুলের সহকারী শিক্ষক মুহাম্মাদ আবদুর নুর বলেন, আমি ৬৫ নং পূর্ব মদনপুরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলীর জন্য আবেদন করি। জেষ্ঠতা থাকা সত্বেও অদৃশ্য কারণে তাকে ওই স্কুলে বদলী না করে হাবিবা সুলতানা নামে এক জুনিয়র শিক্ষিকাকে সেখানে বদলী করা হয়। একই অভিযোগ করেন দক্ষিন গোসিঙ্গা আবদুল কাদের সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা মনোয়ারা বেগম, কায়না বাশবাড়িয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবুল কালাম, পশ্চিম বাহির দাসপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শারমিন নাহারসহ অনেক শিক্ষকের। পূর্ব ভরিপাশা বিদ্যালয়ে ডেপুটেশনে থাকা শিক্ষক রুমানা ইয়াসমিনের আদেশ বাতিল না করে তাকে বদলী করা হয় হোসনাবাদ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। এ ছাড়াও  চর ওয়াডেল, মঠবাড়িয় ও আবদুল কাদের সরকারী প্রাইমারী স্কুলে ৪ শিক্ষকের মধ্যে থেকে একজন করে শিক্ষক বদলি করা হয়েছে। অথচ এসব স্কুলে কোন শিক্ষক প্রতিস্থাপন করা হয়নি। পশ্চিম খেজুর বাড়িয়া  সরকারী প্রাইমারী স্কুলের শিক্ষক শহীদুল ইসলামকে যোগদানে এক বছর অতিবাহিত হওযার আগেই পুনরায় তাকে বদলি করা হয়েছে।  এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক কামরুজ্জামান ফিরোজ বলেন, আমি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার সাথে এসব অভিযোগ নিয়ে কথা বলেছি। তিনি আমাকে বিষয়গুলো চেপে যাওয়ার জন্য অনৈতিক প্রস্থাব দিয়েছেন।

এ ব্যাপারে  উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মাদ আবদুল্লাহ আল মাহমুদ জামান বলেন, তথ্য গোপন করে এমন অনিয়ম করা হলে  অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।