বাউফলে সভার স্থান নিয়ে উপজেলা ও ইউপি চেয়ারম্যানদের মধ্যে রশি টানাটানি

2

 

 

বিশেষ প্রতিনিধি : বাউফলে টিআর কাবিখা বন্টনের সভারস্থান নিয়ে উপজেলা ও ইউপি চেয়ারম্যানদের মধ্যে চলছে রশি টানাটানি। উপজেলা চেয়ারম্যানের কক্ষ না কি উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সভা হবে এনিয়ে এক পক্ষ অপর পক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাল্টা অভিযোগ করে যাচ্ছেন।

বৃহষ্পতিবার দুপুর সোয়া ১২ টায় উপজেলা চেয়ারম্যানের অফিসে অনুষ্ঠিত সভায় অনেক চেয়ারম্যান যোগ দেননি।  তবে উপজেলা চেয়ারম্যান তার অফিস কক্ষে নির্ধারিত সময়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের উপস্থিতিতে সভা হয়েছে বলে জানিয়েছেন।

সূত্র জানান, বাউফলে বরাদ্দকৃত টিআর ও কাবিখা বন্টনের জন্য উপজেলা চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মজিবুর রহমান বৃহষ্পতিবার দুপুর সোয়া ১২ টায় তার অফিস কক্ষে সভা আহবান করেন। সভার স্থান উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে না করে উপজেলা চেয়ারম্যানের অফিস কক্ষে করায়  ১৫ জনের মধ্যে ১০ জন ইউপি চেয়ারম্যান সভায় যোগদান না করে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে বসে থাকেন। এসময় তাদের সাথে উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যানও সহমত প্রসন করে মিলনায়তনে বসে থাকেন। তারা বেলা সোয়া ২টা পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করে বিধিবর্হিভূতভাবে মিলনায়তনের পরিবর্তে অফিস কক্ষে সভা আহবান করার প্রতিবাদ জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়ে মিলনায়তন ত্যাগ করেন। নাজিরপুর, সূর্যমনি, কালাইয়া ও নওমালাসহ আরো কয়েকটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানগণ  অভিযোগ করে বলেন, কোন কারণ ব্যাতিতই উপজেলা চেয়ারম্যান তার অফিস কক্ষে সভা আহবান করেছেন। ইতিপূর্বে তার অফিস কক্ষে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন  সভায় একাধিক চেয়ারম্যানদের তিনি অসম্মানিত করেছেন। এ কারণে তার অফিস কক্ষে অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদের কোন সভায় আমরা যোগ দেবনা। এদিকে উপজেলা চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মজিবুর রহমান জানান, এ সভাটি তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে জানিয়ে পরিষদের সদস্যদের আরো কয়েকদিন পূর্বে  নোটিশ করা হয়েছে। তখন কেউ প্রশ্ন তোলেনি। আজকের সভাও নির্ধারিত সময়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। কেবলমাত্র ৮ জন চেয়ারম্যান উপস্থিত হননি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহম্মদ আবদুল্লাহ আল মাহামুদ জামান চেয়ারম্যানদের লিখিত অভিযোগ সম্পর্কে বলেন, আমি চরাঞ্চলে এসেছি।  তবে বিভিন্ন মহল থেকে ফোনে ঘটনা জানতে পেরেছি।