বাউফলে সরকারি পুকুরের মাছ হরিলুট

3

অতুল পাল বিশেষ প্রতিনিধি: বাউফল উপজেলা ভূমি অফিসের বড় পুকুর থেকে সকলের অজান্তে মাছ ধরে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল সোমবার ভোর রাতে সহকারি কমিশনার নাজমুল হোসাইন খানের নির্দেশে জাল টেনে ওই মাছ ধরা হয়। মাছ ধরার ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার অবগত নন বলে তিনি জানিয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, সোমবার ভোর রাত ৪টার দিকে স্থানীয় সহিদ সিকদারের নেতৃত্বে ১৫/১৬ জনের মাছধরার একটি দল ওই পুকুরে  জাল টেনে রুই, কাতল ও সিলভারকাপসহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ১৯ মন মাছ ধরা হয়।  এর মধ্যে ১৭ মন মাছ উপজেলার কালাইয়া বন্দরের একটি আড়তে বিক্রি করে দেয়া হয়েছে। বাকি বড় সাইজের মাছগুলো কালাইয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারি তহসিলদার কামরুল ইসলামকে দিয়ে ককসিটের বাক্স ভরে সহকারি কমিশনারের ঢাকার বাসায় পাঠানো হয়েছে। এ ভাবে রাতের অন্ধকারে সরকারি পুকুর থেকে মাছ ধরার ঘটনাটি এলাকার মানুষের মধ্যে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। এ ব্যাপারে উপজেলা সহকারি কমিশনানের (ভূমি) সাথে যোগাযোগ করলে তিনি মাছ ধরার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, রাতের অন্ধকারে মাছ চুরি হয়ে যাচ্ছে। যে টা নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছিলনা। একারণে ইউএনওর সম্মতি নিয়ে ৪৮টি মাছ ধরা হয়েছে। যার মধ্যে ২০টি মাছ ধরার মজুরি বাবদ দেয়া হয়েছে এবং বাকি ২৮টি মাছ ৭ হাজার টাকা দাম ধরে নিজেদের খাওয়ার জন্য রাখা হয়েছে।  মাছ বিক্রির টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেয়া হয়েছে। তবে রাতের অন্ধকারে মাছ কেন ধরা হয়েছে সে প্রশ্নের কোন উত্তর তিনি দেননি। অপরদিকে বাউফল উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবদুল্লাহ আল মাহমুদ জামান কাছে মাছ ধরার বিষয়টি তিনি আদৌ অবহিত নন বলে জানান।