বাউফলে হতদরিদ্রদের দেয়া হচ্ছে নি¤œমানের চাল ও ওজনে কম

4

অতুল পাল, বিশেষ প্রতিনিধি: বাউফলের বিভিন্ন ইউনিয়নে হতদরিদ্রদের জন্য ১০ টাকা কেজি দরের চাল নি¤œমাণের, ওজনে কম দেয়া এবং সময় ক্ষেপণ করে বিতরণের অভিযোগ ওঠেছে। সময় ক্ষেপণের ফলে অনেক হতদরিদ্র মানুষ চাল না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন বলে হতদরিদ্ররা জানিয়েছেন। বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন বলে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।

সরেজমিন মদনপুরা ইউনিয়নের চৌমূহনী বাজের গিয়ে দেখা গেছে, একই ডিলারের দোকানে এক বস্তার চাল ভাল এবং আরেক বস্তার চাল নি¤œমাণের। ডিলার লোক বুঝে ভাল মন্দ চাল বিক্রি করে যাচ্ছেন। এনিয়ে চাল ক্রয় করতে যাওয়া হতদরিদ্রদের মাঝে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা ডিলার রফিকুল ইসলামের দোকানের সামনে ডাকচিৎকার করছিলেন। চাল ক্রয় করতে যাওয়া হতদরিদ্ররা বলেন, “ডিলার মুখ দেখে খাদিম দিচ্ছে”। যারা পরিচিত তাদেরকে ভালটা আর যারা অপরিচিত তাদেরকে খারাপ চাল দিচ্ছে। ডিলার রফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা যে চাল পেয়েছি, সেই চালই বিক্রি করছি। তিনি বলেন, মেশিনে সেলাই করা চালের বস্তায় ভাল চাল পাওয়া গেছে। আর হাতে সেলাই করা বস্তায় কিছুটা নিন্মমানের লালছে চাল পাওয়া গেছে। সরবরাহকৃত বস্তার গায়ে “খাদ্য অধিদফতরের জন্য, উৎপাদনের তারিখ জানুয়ারি ২০১৪ সাল, স্টার মিলস লিঃ লেখা রয়েছে”। তবে একটি সূত্র জানায়, খাদ্য গুদাম থেকে মেশিনে মুখ সেলাই করা বস্তার ভাল মানের চাল দেয়া হলেও সেই চাল কালোবাজারে ১৮ টাকা কেজি দরে বিক্রি করে দেয়া হয়েছে। আর কম টাকায় নিম্নমানের চাল কিনে হতদরিদ্রদের মাঝে বিক্রি করা হচ্ছে। অপরদিকে কালাইয়া ইউনিয়নে ৩০ কেজির টাকা নিয়ে ২৫/২৬ কেজি চাল দেয়া হয়েছে বলে হতদরিদ্ররা অভিযোগ জানিয়েছেন। হতদরিদ্ররা বিষয়টি স্থানীয় চেয়ারম্যানকে জানালে তিনি ডিলারকে সঠিক ওজনে চাল দেয়ার নির্দেশ দিলেও কোন কাজ হয়নি। এদিকে সপ্তাহের শুক্র, শনি ও মঙ্গলবার চাল বিক্রির নিয়ম থকলেও অনেক ডিলার সে নিয়ম মানছেননা।  এ ব্যাপারে বাউফল উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা  মোঃ মনিরুল হক বলেন, নিম্নমানের চাল বিক্রির কথা না। ওজনে কম দেয়া এবং সপ্তাহের তিন দিন বিতরণ সংক্রান্ত বিষয়গুলো পর্য্েক্ষণ করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।