বানিজ্যর অভিযোগ পটুয়াখালীতে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তিযুদ্ধ

1

PIC-2

ডেস্ক রিপোর্ট : পটুয়াখালীর অন্যতম বিদ্যাপীঠ পটুয়াখালী সরকারি বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও পটুয়াখালী সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ে বিভিন্ন শ্রেনীর ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভর্তি পরীক্ষাকে ঘিরে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের অবিভাবকদের রয়েছে ভর্তি বানিজ্যসহ নানা অভিযোগ।

শনিবার সকালে অনুষ্ঠিত এ ভর্তি পরীক্ষায় সরকারি বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৩য় শ্রেনীতে মর্নিং ও দিবা শাখায় ১২০ ও টি আসনের বিপরীতে ৩৭৯ জন শিক্ষার্থী এবং ৬ষ্ঠ শ্রেনীতে ১০৯ টি আসনের বিপরীতে ২৬০জন শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়।

অপরদিকে সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩য় শ্রেনীতে মর্নিং ও দিবা শাখায় ১২০ টি আসনের বিপরীতে ৩৮৯জন শিক্ষার্থী এবং ৬ষ্ঠ শ্রেনীতে ৯৬ টি আসনের বিপরীতে ২৪২ জন শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়।

এদিকে অভিভাবকদের অভিযোগ বিদ্যালয়ে ভর্তি নিয়ে কিছু শিক্ষক অনৈতিক ভাবে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা। তারা আরও অভিযোগ করেন, ভর্তি পরিক্ষার আগে নির্ধারিত শিক্ষকদের কাছে সাত হাজার টাকা দিয়ে পড়তে হবে। মাত্র ১৫ থেকে ২০ দিন পড়ালে মিলবে ভর্তির টিকেট। এভাবেই স্বনামধন্য এ বিদ্যালয় দুটিতে দির্ঘ দিন ধরে চলে আসছে ভর্তি বানিজ্য ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অবিভাবক জানান, ‘আমার মেয়ে তৃতীয় শ্রেনিতে ভর্তি হবে, আমি বালিকা বিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলতে গেলে তিনি জানান ভর্তির জন্য তাঁকে পনের হাজার টাকা দিলে এবং এ কথা কাউকে না জানালে তিনি মেয়েকে ভর্তি করে দেবেন। তার কাছে আরও দু’টি কোঠা রয়েছে পরিচিত ভর্তিচ্ছু থাকলে তাকে জানাতে বলেন।

অনুসন্ধানে আরও জানাযায়, বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের স্ত্রী যিনি পটুয়াখালী সদর উপজেলার একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা তার মাধ্যমে অনৈতিক ভাবে ভর্তি হতে যাচ্ছে প্রায় হাফ ডজন শিক্ষার্থী।

রাতের মধ্যে পরীক্ষার ফলাফল ঘোষনা করার কথা। এমন অবস্থায় উৎকন্ঠায় আছেন অভিবাকরা। তাদের সন্তান ভর্তির সোনার হরিনটি ছিনিয়ে এনে অত্র বিদ্যালয় ভর্তি হতে পারবে কি?