মহিপুরে প্রভাবশালীর কান্ড  কার জমি কে বিক্রি করছে !

0

 

ডেস্ক রির্পোট ঃ মৎস্য বন্দর মহিপুরের শেখ রাসেল সেতুর নিচের অনেক জমি দখল হয়ে গেছে। স্থানীয় প্রভাবশালী একটি মহল দোকান তুলে, দখলে নিয়ে চড়া মুল্যে বিক্রি করে দিয়েছে। মৎস্য বন্দর মহিপুরের শেখ রাসেল সেতুর নিচে জমির এ দখল বানিজ্য চললেও নির্বিকার সড়ক ও জনপদ কর্তৃপক্ষ।

ক্ষমতাসীন দলের নাম ভাংগিয়ে প্রভাবশালী একটি মহল ক্ষেত্রেভেদে বিভিন্ন অংকের টাকা লেনদেনের মাধ্যমে প্রতিনিয়তন গড়ে তুলতে সাহায্য করছে নতুন নতুন দোকান। প্রশাসন আর জনপ্রতিনিধিদের চোখের সামনে এ দখল প্রক্রিয়া চললেও বলার বা লাগাম টেনে ধরার কেউ নেই। আর এ দখল নিয়ে হর-হামেশাই ঘটছে দ্বন্দ, বিবাদ, সংঘাত। ব্যস্ততম ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়কের মহিপুর শেখ রাসেল সেতুর নিচে ও পাশে গড়া ওঠা দোকান গুলোর কারনে যে কোন সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের সড়ক র্দুঘটনা।

 

স্থানীয়রা জানায়, ব্রিজের নিচের ফাঁকা অংশ প্রভাবশালী এক নেতার ছত্রছায়ায় অর্থ বানিজ্যে দখল হয়ে যাচ্ছে ব্রিজের পাশের অব্যহৃত চল্লিশ ফুট জায়গাও। ক্ষমতাসীন দলের নাম ভাংগিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে শ্রমিক সংগঠনের আলিশান অফিস। ভূক্তভোগীরা শংকা করছেন এই শ্রমিক নেতার নজরে পড়ে দখল হয়ে যেতে পারে সেতু সংলগ্ন টি এন্ড টি’র ভূমিও। শুধু ব্রিজের নিচের ফঁকা অংশ নয় সাধারনের চলাচলের জন্য যেসব বাইপাশ সড়ক রয়েছে তাও প্রায় দখল হয়ে গেছে।

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকার বাসিন্দা বলেন, এমনিতেই সেতুর নির্মান কাজের কারনে মহাসড়কের প্রস্থতা কমে গেছে। তার উপড় এসব দোকানের কারনে যেকোন সময় গাড়ী র্দুঘটনা ঘটতে পারে। এতে পথচারী বা দোকানের  ক্রেতাদের হতে পারে প্রানহানি সহ পঙ্গুত্বের স্বীকার।

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেক দোকানদার জানান,সরকারী দলের নেতা ও জনপ্রতিনিধি’র পরিচয়ে এক নেতাকে পজেশন ভেদে ১০ থেকে ৪০ হাজার টাকা প্রদানের মাধ্যমে তারা বৈধভাবে দোকান ঘর তুলেছেন আবার কেইবা ঘর সহ পজেশন কিনে ব্যবসা করছেন।

 

স্থানীয়রা ক্ষোভের সাথে জানান, ওয়ান ইলেভেনের সময় এবং শেখ রাসেল সেতু নির্মানের সময় পরপর দু’’বার ব্যবসায়ীরা তাদের ভূমি অফিস থেকে লীজ নেয়া জমি থেকে উচ্ছেদ হয়। আর এতে কপাল খোলে স্থানীয় প্রভাবশালীর ছত্রছায়ায় থাকা কতিপয় ব্যক্তি আর ভ’মি অফিসের অসাধু কর্মচারীদের। লীজ গ্রহনের জন্য প্রত্যেক লীজ গ্রহীতাকে গুনতে হয়েছে পঞ্চাশ হাজার থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা। স্থানীয় ভ’মি অফিসের কতিপয় অসাধু কর্মচারী আর স্থানীয় প্রভাশালী একটি চক্র সিন্ডিকেট গড়ে তুলে হাতিয়ে নেযা হচ্ছে এ অর্থ।

 

এ ব্যাপারে পটুয়াখালী সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের নির্বাহি প্রকৌশলী’র কছে জানতে চাইলে বলেন, দখলকারীদের বিরুব্দে যথাযথ আইনী ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে।

আর সচেতন মহলের বক্তব্য, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এই বক্তব্য যেন শুধু বক্তব্যের মধ্যে সীমাবব্ধ না থাকে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নিবার্হী কমকর্তা মো. জাহঙ্ঘীর আলমকে স্থানীয় সংবাদ কর্মীরা অবহিত করলে তিনি বিষয়টি দেখতেছি বলে এড়িয়ে যান,এদিকে ঐ মহলটি বীরদর্পে স্থাপনা উঠিয়ে ফেলেছে।