মহিপুর থানার দুই ইউপি নির্বাচনের তফসিল ঘোষনা এক ইউনিয়নে আ’লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ৩, বি এন পি-২জন  

1

 

মোঃ মনিরুল ইসলাম, মহিপুর প্রতিনিধি ঃ কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর থানার দুটি ইউনিয়নের নিবাচনী তফসিল ঘোষনা করা হয়েছে। ইউনিয়ন দুটি হচ্ছে ৭নং লতাচাপলী ও ৯ নং ধূলাসার । গত বৃহস্পতিবার ৯ মার্চ কলাপাড়া উপজেলা নির্বাচন কমিশন কর্তৃক নির্বাচনী তফসিল ঘোষনা করা হয়েছে। এতে ৭নং লতাচাপলী ইউনিয়নে আ’লীগের ৩ জন মনোনয়ন প্রত্যাসি রয়েছে। এরা হলো ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি ডাঃ সিদ্দিকুর রহমান বিশ্বাস, সাধারন সম্পাদক আনছার উদ্দিন মোল্লা, ইউপি সদস্য আবু ছাইদ ফকির। এ ব্যাপারে ডাঃ সিদ্দিকুর রহমান বিশ্বাস বলেন, ৯০’র ্এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের সময় হামলা-মামলা ও শারীরীীক নির্যাতনের শিকার, ৯১’র জাতীয় সংসদ নির্বাচনকালীন সাবেক পানি সম্পদপ্রতি মন্ত্রী এবং বর্তমান এমপি আলহাজ্ব মাহাবুবুর রহমান তালুকদারসহ কলাপাড়া উপজেলা আ’লীগ নেতা কর্মীদের সামনে তাঁর হোমিও  প্যাথিক ফার্মেসি ভাংচুর ও শারীরীক নির্যাতনের শিকার হয়ে কলাপাড়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকতে হয়েছে। ৯৪’র খালেদা বিরোধী আন্দোলনের সময় বি এন পি জামাতের নির্মম নির্যাতনের শিকার। ২০০১ সালে নির্বাচনত্তোর ৩’রা অক্টোবর বি এন পি জোট সরকারের সন্ত্রাসী হামলায় নেতাকর্মীসহ ৫২জন আহত হন। এর মধ্যে ৫ জন গুরুতর  হয়। দিয়ার আমখোলা গ্রামের আলীহোসেন নামের এক কর্মীকে ঢাকা পিজি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়ছে। যেখানে তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী এবং বর্তমান দেশরতœ জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই হাসপাতালে দেখতে গিয়ে ছিলেন। এছাড়াও ৮/১০বার হামলা-মামলার শিকার হন। ২০০৯ সালে আ’লীগ ক্ষমতায় আসার পর একটু স্বস্থিও নিঃস্বাস ফেললেও ২০১৩ সালের ৭ই অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশকে মধ্যম আয়ের দেশ হিসাবে গড়ে তুলতে কলাপাড়া উপজেলার রামনাবাদ চ্যানেলে “পায়রা সমুদ্রবন্দর” ঘোষনা করায় আনন্দ মিছিল বেড় করলে, সেখানেও বিরোধী দলীয় সন্ত্রাসী হামলার শিকার হন। বিভিন্ন সময় বিরোধী দলয়ি মিথ্যা ও হয়রানী মুলক ৬টি মামলার মোকাবেলা করতে হয়েছে। জন্ম ও শিক্ষাজীবন নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ১৫-০৮-১৯৫৮ সালে লতাচাপলী ইউনিয়নের আলীপুর গ্রামে তার জন্ম, পিতা মোঃ মোক্তার আলী বিশ্বাস ছিলেন একজন ধার্মিক ও কৃষক। ১৯৭৪ সালে এস,এস,সি, ১৯৭৭ সালে এইচ,এস,সি, ১৯৮১ সালে ডি এইচ,এম,এস, পাশ করেন।

রাজনীতি নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, খেপুপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত অবস্থায় ১৯৭৩ সালে ছাত্রলীগের সদস্য, ১৯৭৫-৭৭সাল পর্যন্ত মোজাহার উদ্দিন  বিশ্বাস ডিগ্রি কলেজ শাখার ছাত্রলীগের সদস্য, ১৯৭৮ সালে চট্রগ্রাম সিটি কলেজ শাখার ছাত্রলীগের সদস্য ছিলেন। ১৯৮০ সালে ডাঃ জাকির হোসেন হোমিও প্যাথিক মেডিকেল কলেজ(চট্রগ্রাম) ছাত্রলীগের সভাপতি ও ১৯৮১ সালে ওই কলেজের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ভিপি নির্বাচিত হয়ে দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন।

বাংলাদেশ আ’লীগ ঃ ১৯৮৫-১৯৮৯সাল পর্যন্ত লতাচাপলী ইউনিয়ন আ’লীগের সক্রিয় সদস্য, লতাচাপলী ইউনিয়ন আ’লীগের কাউন্সিলরদের ভোটে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে নির্বাচিত হয়ে ১৯৮৯-১৯৯৮ সাল পর্যন্ত সৎ ও নিষ্ঠার সাতে দ্বায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৮ সালে কাউন্সিলরদের ভোটে সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হন এবং ২০০৩ সালেও নির্বাচিত হয়ে ২০১২ সাল পর্যন্ত দ্বায়িত্ব পালন করেন। ২০১২ সালে সভাপতি নির্বাচিত হয়ে অদ্যবদি দ্বায়িত্ব পালন করছেন। রাজনৈতীক জীবনে বাংলাদেশ আ’লীগ শুরু নিঃস্বেষেও তাই। দলীয় শ্রেনী বিন্যাসে বাংলাদেশ আ’লীগ তথা বাংলাদেশ আ’লীগ’র চেয়ারম্যান এবং দেশের উন্নয়নের রোল মডেলার, বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা দেশরতœ, জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার নিশ্চই তাকেই মনোনয় দেবেন এ প্রত্যাশা তার। তিনি আরো বলেন, আশা-আকাঙ্খ, পদ-পদমর্যাদা এখন একটাই দলীয় মনোয়ন পেয়ে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করতে পারাটাই স্বার্থক। দলীয় মনোনয়ন পেলে আপনি নির্বাচিত হতে পারবেন ?  দলীয় মনোনয়ন পেলে অবাদ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ ভোট হলে শতভাগ নিশ্চিত তিনি জয় লাভ’র আশা করেন। এব্যাপারে মনোনয়ন প্রত্যাশী আনছার উদ্দীন মোল্লা বিস্তারিত বলার সময় পাননি। মনোনয়ন প্রত্যাশী ইউপি সদস্য আবু ছায়েদ ফকীর বলেন, ভাগ্যে যদি ফেবার করে, তাহলে মনোনয়ন পেতেও পারেন তিনি। লতাচাপলী ইউনিয়ন বি এন পি’র সভাপতি সুলতান মুসুল্লী বলেন, দলীয় ভাবেব মনোনয়ন দিলে তিনি নির্বাচন করবেন। আর কোন প্রার্থী আছে কিনা ?  জবাবে তিনি বলেন, উপজেলা লিষ্টে এমন কেউ নেই এবং দেখিও না। লতাচাপলী ইউনিয়ন বি এন পি’র সাধারন সম্পাদক সেলিম হাওলাদার জানান, তিনি মনোনয়ন প্রত্যাশী দলীয় ভাবে মনোনয়ন দিলে নির্বাচন করবেন। আর যদি দল অন্য কাউকে দেয় তাহলে দলের বাইরে যাবেন না তার হয়ে নির্বাচন করবেন।