মহিপুর থানা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক সহ আহত -৪

3

ছাত্রলীগের একাধিক সুত্রে জানাজায়, শুক্রবার জেলা আওয়ামীলীগ কার্যলয়ে  জেলা ছাত্রলীগের বঙ্গবন্ধুর ৪১ তম সাহাদাৎ বার্ষীকি উপলক্ষে এক আলোচনা সভার আয়োজন করে জেলে ছাত্রলীগ।এই আলোচনা সভায় যোগ  দেয়ার জন্য পটুয়াখালী আসে মহিপুর থানা ছাত্রলীগরে সাধারন সম্পাদক । আলোচনা সভার শেষে পর্যায় জেলা ছাত্রলীগের সিনিয়ার সহ-সভাপতি মো ঃ নেছার উদ্দীন তার ক্যাডার বাহিনী ২০ থেকে ২৫ জন কর্মী নিয়ে শুক্রবার ৮ঃ৩০ মিনিটের সময় মহিপুর থানা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক  মো ঃ এইস এম ইমরাল আল-আহছানের কাছে পটুয়াখালী আলাউদ্দীন শিশু পার্কের পিছনে সরকারি খাস ভুমিতে দোকান ঘর উঠানোর জন্য ৫০ হাজার টাকা চাদাঁ দাবি করে। ইমরাল চাদাঁ দিতে অস্বীকার করলে  নেছার তার নেতাকর্মিদের নিয়ে তার উপর অর্তকীত হামলা চালায় । হামলায় ইমরাল সহ তার সাথে আসা মহিপুর থানা ছাত্রলীগের ৪ কর্মী আহত হয়েছে। পরে জেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক মো ঃ রাশেদ সহ তাদেরকে উদ্ধার করে পটুয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।

উল্লেখ্য , পটুয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের সিনিয়ার সহ-সভাপতি মো ঃ নেছার উদ্দীন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো ঃ নাছির উদ্দীন এর ভাই হওয়ায় কমিটি দেয়ার কথা বলে মহিপুর থানার ছাত্রলীগের কমিটি দেয়ার কথা বলে (তিন লক্ষ ) টাকা নেয়। মহিপুর কুয়াকাটায় অবাসিক হোটেল করার জন্য একাধিক বার তার কাছে জায়গা চায়। সে তাকে কোন জায়গা না দিলে তাকে বার বার হুমকি হুমকি দিয়ে আসছে।  জেলা ছাত্রলীগের সভাপতির ভাই হাওয়ায় তার ছত্র ছায়ায় অনেক অন্যায় চাদাঁ বাজি করে পার পেয়ে যায়  নেছার।

এ বিষয় পটুয়াখালী সদর সার্কেল সাহেব আলী পাঠান জানায়,  মৌখিক ভাবে অভিযোগ করেন জেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক সহ মহিপুর থানা ছাত্রলীগের নেতা কর্মিরা কিন্তু লিখিত ভাবে কোন অভিযোগ কেউ করেনি, যদি তার মামলা করে তবে আইন আইনানুক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে তিনি জানায়। এদিকে নেছার জেলা ছাত্রলীগের সভাপতির ভাই হওয়ায় কোন মামলা না করার জন্য হাসপাতালে গিয়ে ইমরালকে হুমকি দিয়ে আসছে। পটুয়াখালী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বলে ইমরাল জানায়।এ বিষয় জেলা ছাত্রলীগের সিনিয়ার সভাপতি  মোঃনেছার  উদ্দীন হাওলাদারের সাথে একাধিক বার যোগাযোগ করতে চাইলে তার মুঠোফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।