মামলা করায় বাদীকে হুমকী

2

স্টাফ রিপোর্টারঃ পটুয়াখালী সদর উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের পূর্ব গাবুয়া চিনাপটন এলাকায় জমি-জমার বিরোধের জের ধরে রশিদ মৃধা (৭০) কে একই এলাকার মাসুদ হাওলদার গং গত ২৭ অক্টোবর রাত্র পৌনে ৮টায় তাফালবাড়িয়া বাজার থেকে ডেকে পূর্ব গাবুয়া খালেক ঘরামীর বাড়ীর দক্ষিণ পার্শ্বে নিয়ে পিটিয়ে, মেরে গুরুরত আহত করে রাস্তার উপর ফেলে অন্ডকোষ চেপে ধরে হত্যার চেষ্টা করে। এসময় রশিদ মৃধা ডাক চিৎকার করলে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে পৌছলে মাসুদ হাওলাদার গং বীরদর্পে চলে যায়। স্থানীয়রা গুরুতর আহত রশিদ মৃধাকে উদ্ধার করে ২৫০-শয্যা পটুয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে ২৮ অক্টোবর রশিদ মৃধার পুত্র আবদুর রহিম মৃধা বাদী হয়ে মাসুদ হাওলাদার, রিয়াজুল ইসলাম রিমন, সোহাগ হাওলাদার-কে প্রধান আসামী করে পটুয়াখালী সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং- ৪১ ,তারিখ :২৮   /১০/২০১৬ ইং। মামলা করার পর থেকে আসামীরা বিভিন্নভাবে বাদীকে ভয়ভীতি এবং মামলা তুলে না নিলে হত্যার হুমকী দেয়। উক্ত ঘটনা ১ নভেম্বর পটুয়াখালী থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন স্থানীয় দৈনিকে প্রকাশিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, মাসুদ হাওলাদার গত ১৬ নভেম্বর বরিশাল থেকে প্রকাশিত আজকের বার্তা পত্রিকার শেষের পাতায় ‘পটুয়াখালীর পূর্ব গাবুয়ায় মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশ করান। এতে উল্লেখ করেন, মাসুদ হাওলাদার ধার টাকা ফেরত চাইতে এই ঘটনা ঘটেছে। অপরদিকে ৬ নভেম্বর বরিশাল থেকে প্রকাশিত দখিনের মুখ পত্রিকায় ‘প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ শিরোনামে’ একটি সংবাদ প্রকাশ করেন। তাতেও উল্লেখ করা হয় জমি-জমা নিয়ে মাসুদ হাওলাদারের সাথে রশিদ মৃধার দীর্ঘদিনের বিরোধ চলে আসছে। তাতে আরও উল্লেখ করেন, রশিদ মৃধা একজন সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ। তার টাকা চাইতে গেলে তিনি নাকি আরও চাঁদা দাবী করেন। জখমি রশিদ মৃধার ভাই আঃ লতিফ মৃধা একজন ব্যবসায়ী,এবং ভাতিজা আবু  হানিফ মৃধা  উচ্চ শিক্ষিত এবং একজন সরকারি চাকুরিজীবী। এদেরকে হেয় প্রতিপন্য করার জন্য এলাকায় চিহ্নিত সন্ত্রাসী বলে দাবী করেন। মূলত মাসুদ হাওলাদার বিরুদ্ধে এলাকায় কেহ মুখ খুলতে সাহস পায় না।সে বলে যদি ৫/৮টি মামলা দেয়া হয় আমি টাকার বিনিময় শেষ করবো, তবু তোদের সাথে বুঝবো।  সরজমিনে এলাকা ঘুরে আসলে সবই জানা যাবে বলে জানিয়েছেন রশিদ মৃধার পুত্র আবদুর রহিম মৃধা। এবিষয়ে তিনি প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেন।