মির্জাগঞ্জের মাধবখালীতে কার্ড বাবদ টাকা নেয়ার অভিযোগ

2

 

মোঃ বাদল হোসেন, মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে হতদরিদ্রদের মধ্যে ১০ টাকা কেজি করে চাল বিক্রিতে অনিয়ম,ওজনে কম দেয়া, কার্ড বিতরনে স্বজনপ্রীতি,জন প্রতি কার্ড বাবাদ টাকা নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এছাড়াও একাধিক ইউনিয়নের এর চেয়ে বেশি টাকা নেয়া হয়েছে বলে জানা যায়। যে কারনে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত অনুযায়ী খাদ্যবান্ধব এই কর্মসূচীর স্বচ্ছতা ও সফলতা নিয়ে অভিজ্ঞ মহলে প্রশ্ন উঠেছে। উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিস সূত্রে জানা যায়,মাধবখালী ইউনিয়নে ৭৫৮ জন হতদরিদ্র,মির্জাগঞ্জ ইউনিয়নে ৮৪৫জন,আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নে ৮২৮জন,দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়নে ৮০৬জন, কাকড়াবুনিয়া ইউনিয়নে ৬৫২জন এবং মজিদবাড়িয়া ইউনিয়নে ৫৮৫জনসহ মোট ৪ হাজার ৪৭৪জন হতদরিদ্রদের মধ্যে কার্ড বরাদ্ধ করা হয়েছে। কার্ড প্রতি ইউপি সদস্যরা ৫০ থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে উপকারভোগীদের কাছ থেকে। শুক্রবার উপজেলার মাধবখালী ইউনিয়নে চাল বিতরনের সময়ে উপকারভোগী ৭৫৮ জনের কাছ থেকে কার্ড প্রতি ১৫০ টাকা অফিস খরচ বাবাদ নেয়া হয়েছে বলে এক সূত্রে জানা গেছে। সাংবাদিকদের এ তথ্য কে দিয়েছে এ নিয়ে ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ মনিরুল ইসলাম তালুকদার উত্তেজিত হয়ে শুক্রবার বিকালে মাধবখালী অস্থায়ী ইউপি কার্যালয়ে সকল মেম্বারদের নিয়ে এক জরুরী সভা ডাকেন। তিনি এক মেম্বারকে দোষারোপ করে হেনস্থা করার চেষ্টা করেন। তিনি ক্ষমতাশীল দলের চেয়ারম্যান হওয়ায় এ ইউনিয়নে কেউ তাঁর বিরুদ্ধে কথা বলতে সাহস পায়না। এব্যাপারে মাধবখালী ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মনিরুল ইসলাম তালুকদার বলেন,চাল বিতরনে হতদরিদ্রদের কাছ থেকে আমি কোন টাকা নেইনি। এর সাথে আমি সম্পৃক্ত নই।