মির্জাগঞ্জে এ্যাম্বুলেন্স ও এক্সরে মেশিনটি বিকল॥ রোগীদের দুর্ভোগ

2

 

মোঃ বাদল হোসেন মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধিঃ  পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপে¬ক্সের এ্যাম্বুলেন্স ও এক্সরে মেশিনটি দীর্ঘদিন ধরে বিকল অবস্থায় পড়ে আছে । এতে রোগীরা সীমাহিন দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। এমনকি হাসপতালের পরিবেশও নোংরা। বাদরুম ও কেবিনের দরজা-জানালা ভাঙ্গা চোড়া। ফলে মির্জাগঞ্জ হাসপাতালের রোগীদের দুর্দাশার যেন শেষ নেই। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ২০০২ সালে মির্জাগঞ্জে প্রথম বারের মতো একটি এ্যাম্বুলেন্স সরবরাহ করা হয়। কয়েক বছর এ্যাম্বুলেন্সটি ভালো সার্ভিস দিয়ে আবার তা মাঝে-মধ্যে বিকল পড়ে। বর্তমানে এ্যাম্বুলেন্সটি গত একমাস ধরে পটুয়াখালীতে অকেজো অবস্থায় পড়ে আছে মেরামতের জন্য। এদিকে অর্ধ যুগের বেশি সময় ধরে মির্জাগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালের একমাত্র ৩০০-এমএ ক্ষমতা সম্পন্ন একটি উন্নতমানের এক্সরে মেশিন বিকল হয়ে পড়ে আছে।  বেশি অর্থ খরচ করে এক্স-রে করার জন্য রোগীদের যেতে হচ্ছে জেলা শহর পটুয়াখালী কিংবা উপজেলার বিভিন্ন ডায়াগনিস্টক সেন্টারে। এতদ্ব্যতীত ৫০ শয্যা বিশিষ্ট এই হাসপাতালে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন একটি জেনারেটর রয়েছে। ব্যাটারি ও তৈলের কারনে জেনারেটর চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। রাতে বিদ্যুৎ না থাকলে এই হাসপাতাল ভুতুরে অবস্থার সৃষ্টি হয়। জরুরী বিভাগে মোমবাতি জ্বালিয়ে এবং টর্চের আলোতে ডাক্তাদের কাজ করতে দেখা যায় বিভিন্ন সময়ে। এ সকল কারনে হাসপাতালে রোগীদের দুর্ভোগ এখন চরমে। মির্জাগঞ্জ উপজেলা হাসপাতাল নিয়ে বরাবর উদাসিনতা দেখা গেছে কর্তা ব্যাক্তিদের। হাসপাতাল কিভাবে চলছে তা জানার জন্য কেউ এখানে আসেন না। সব মিলিয়ে মির্জাগঞ্জে চিকিৎসাসেবা চলছে তুঘলকি কারবার। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ শ্যামল কৃষ্ণ হাওলাদার জানান, এ্যামম্বুলেন্সটি দীর্ঘদিনের পুরোনো প্রায় অচল থাকে কিন্তু বর্তামনে মেরামতের অযোগ্য। দীর্ঘ কয়েক বছর যাবত এক্সরে মেশিনটি অচল অবস্থায় আছে। এ ব্যাপারে একাধিকবার সংশি¬ষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেও কোন ফল পাওয়া যায়নি।