মির্জাগঞ্জে চেহারা যেন পাল্টে গেছে

2

উত্তম কর্মকারঃ উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) কর্মকর্তা হিসেবে মির্জাগঞ্জে যোগদানের পর উপজেলা ভূমি অফিসের চেহারা যেন পাল্টে গেছে। উপজেলা ভূমি অফিস এবং দেউলী সুবিদখালী ও মির্জাগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি অফিস দুটি পুরানো চেহারা আর নেই। অফিস দুটি ঘসা-মাঝা করে চকচকে করা হয়েছে। ভূমি অফিসের সামনে নিচুঁ জমি বালি দিয়ে ভরাট করে শতাধিক বিভিন্ন প্রকারে উন্নত জাতের ফুল গাছের বাগান,অফিসে সেবা নিতে আসা জন সাধরনের জন্য নাগরিক কেন্দ্রিক‘ সার্ভিস আমব্রেলা’ নির্মান করা হয়েছে এবং ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সামনে নারিকেলের বাগানের কাজ চলছে। এ দৃশ্য এক নজর দেখার জন্য এখানে এখন প্রতিদিন বিকালে ভিড় করছেন অনেকেই। অফিস দু’টি দেখে অতীতের কথা মনে করে বর্তমান উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) কর্মকর্তার প্রসংসাও করছেন কেউ কেউ। এখানে সেবা নিতে আসারা বলেন,এখন আগের মতো অফিসের অবস্থা নেই। অফিসের বাহিরের মতো, ভিতরের সবকিছু পাল্টে গেছে। আগে এসিল্যান্ড না থাকায় এ অফিসের  এক সপ্তাহের কাজে জন্য মানুষকে মাসের পর মাস ঘুরতে হতো। এখন আর মাসের পর মাস কাজের জন্য ঘুরতে হয় না। এছাড়াও তিনি দক্ষিনাঞ্চালের সুফি সাধক হযরত ইয়ার উদ্দিন খলিফা(রঃ) মাজার শরীফের জন্য মহিলাদের বিশেষ ‘চেইঞ্জ রুম’ ও উপজেলা পরিষদের সহযোগীতায় পল্লী এলাকার প্রসূতি মা ও শিশু স্বাস্থ্য নিশ্চিতকরন ও সহজী করনে ‘মাতৃখুশি’ নামক একটি অটোচালিত এ্যাম্বুলেন্স উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার কাছে এর চাবি হস্তান্তর করা হয়েছে। গত ২০ নভেম্বর এ কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক এ.কে.এম শামিমুল হক সিদ্দিকি। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান খান মোঃ আবু বকর সিদ্দিকী,উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন-আহবায়ক মোঃ ইউনচু আলী সরদার ও মোঃ ইসমাইল হোসেন মৃধা,আওয়ামীলীগ নেতা ও দেউলী সুবিদখালী ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আজিজ হাওলাদার,উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ শ্যামল কৃষ্ণ হাওলাদার,প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ রবিন্দ্র নাথ হাওলাদার,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মিসেস হাসিনা হাবিব,উপজেলা বর্নিক সমিতির সভাপতি মোঃ গিয়াস উদ্দিন মধু ব্যাপারী,মির্জাগঞ্জ উপজেলা জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের এপিপি এ্যাডভোকেট আয়শা সিদ্দিকা,সার্ভেয়ার মোঃ হুমায়ন কবির,ভূমি অফিসের কর্মকর্তাবৃন্দসহ সুশিল সমাজের প্রতিনিধিরা, সাংবাদিকবৃন্দ ও স্থানীয় গন্যমান্যে ব্যাক্তিবর্গ। উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) কর্মকর্তা হিসেবে চলতি বছরের আগস্টের ১৭ তারিখে মির্জাগঞ্জে যোগদানের পরে অফিস দুটি নতুন ভাবে যেন প্রান ফিরে পেয়েছে। ২০১৫ সালে অফিসটি সংস্কার করে ১৭ সেপ্টেম্বর সংস্কারের উদ্বোধন করেন তখনকার জেলা প্রশাসক। কিন্তু এক বছর পার না হতেই না হতেই ভবনের চেহারা আগের মতো হয়ে যায়। তাই তিনি অফিস দু’টিকে সংস্কার করিয়েছে নতুন আঙ্গিকে। এরই মধ্যেই উপজেলার সকল মানুষের কাছে তিনি প্রিয় হয়ে উঠেছেন তারঁ কাজের মাধ্যমে। উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) কর্মকর্তা মোঃ মাসউদ পারভেজ মজুমদার বলেন, এখানে যোগদানের আগে অফিস দু’টির পরিবেশ তেমন ভালো ছিলো না। চারিপাশ নোংরা পরিবেশ। তাই এ কাজগুলো করা হয়েছে এবং এ উপজেলায় কোন বিনোদন পার্ক না থাকায় পায়রা নদীর তীরে ৫ একর জমির মধ্যে একটি ‘বিনোদনের জন্য পার্ক’ নির্মান করাহবে। ইতিমধ্যেই পার্কের নির্মানের জন্য জমি নির্ধারন করা হয়েছে।  ডোনার পেলে অতিশিগ্রই পার্কের কাজ শুরু করা হবে। আমি এখান থেকে চলে গেলেও এ উপজেলার মানুষ এর সুফল ভোগ করতে পারবে বলে আমার বিশ^াস ।