মির্জাগঞ্জে বিদ্যুৎ লোডশেডিংয়ের কারনে পনেরো হাজার গ্রাহক অতিষ্ঠ

1

 

মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে ঘনঘন বিদ্যুৎ সরবরাহ বিভ্রাটের কারনে পনেরো হাজার গ্রাহক অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। এদিকে বৈশাখের প্রচন্ড তাপদাহে বিদ্যুৎ না থাকায় মানুষের ভোগান্তির যেন শেষ নেই। প্রতিদিনই সন্ধ্যার পর ৩ থেকে ৪ ঘন্টা বিদ্যুৎ লোডশেডিংয়ের ফলে পড়া-লেখায় বিঘœ ঘটছে চলতি এইচএসসি পরিক্ষার্থীদের। প্রতিদিন ৮ থেকে ৯ ঘন্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকছেনা । এর মধ্যে যতক্ষন বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকে,সে সময়ে ১০-১২ বার আসা-যাওয়া করে। উপজেলার সুবিদখালী অভিযোগ কেন্দ্রে এব্যাপারে অভিযোগ করলেও সঠিক উত্তর পাওয়া যায় না। প্রতিদিন বিদ্যুতের গ্রাহকের সংখ্যা বাড়লেও সেবার মান দিন দিন কমে যাচ্ছে। বারবার আসা-যাওয়া ও লো-ভোল্টেসের কারনে টিভি,ফ্রিজসহ ইলেকট্রিকস যন্ত্রপাতি নষ্ট হচ্ছে। গ্রাহকরা অভিযোগ করে বলেন,সরকার বিদ্যুতের ঘাটতি রোধ করতে বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহন করছে। তবুও লোডশেডিং কমছে না। দিনে ও রাতের বেশির ভাগ বিদ্যুৎ থাকে না। আর মাগরেফের নামাজের সাথে সাথে বিদ্যুৎ চলে যায়। মসুল্লীদের নামাজ আদায় করেত কষ্ট হয়। এমনকি আকাশে মেঘ দেখলেই বা আকাশে মেঘের গর্জন শুরু হলেই নতুবা সামন্য বৃষ্টি হলে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। এঘটনার পরে উপজেলা শহরে বিদ্যুতের দেখা মিললেও প্রত্যান্ত গ্রামে দিনের পর দিন গ্রাহককে অপেক্ষা করতে বিদ্যুতের জন্য। এব্যাপারে পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুতের জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী মনোহর কুমার বিশ্বাস জানান,গত সপ্তাহে কালশৈাখী ঝড়ের কারনে ভৈরবের একটি বিদ্যুতের টাওয়ার ভেঙ্গে পড়ারার কারনে পটুয়াখালীতে চাহিদার চেয়ে অর্ধেকেরও কম বিদ্যুৎ সরবরাহ পাচ্ছি। এদিয়ে পটুয়াখালীসহ ৩ থেকে ৪টি উপজেলা কবার করা হচ্ছে। এরমধ্যে ৩টি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র বন্ধ হয়ে গেছে। এতে বিদ্যুতের কিছু সমস্যা হচ্ছে। তবে বিভিন্ন স্থানের উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের সাথে আলাপ করে জানা গেছে, কেন্দ্রগুলো চালু হলে আগামী ২৫ শে মে’র মধ্যে বিদ্যুতের ব্যবস্থা সহনীয় পর্যায়ে চলে আসবে। কিন্তু ভৈরবের বিদ্যুতের টাওয়ারটি ৩ মাস পর চালু হবে। এতে খুলনা-বরিশালসহ কয়েকটি এলাকায় বিদ্যুৎ ঘাটতি কমে আসবে।