মৌকরনে জামাল হাওলাদার হত্যা ঘটনায় ৮ জনকে আসামী করে আদালতে মামলা

2

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ পটুয়াখালী সদর উপজেলার মৌকরন গ্রামের ইসাহা খা এর বাড়ির উত্তর ভিটির বসতঘরের সামনে থেকে  গত ২৮ মে শনিবার জামাল হাওলাদার (৩২) এর লাশ উদ্ধার ঘটনায় ইসাহাক খা (৬২) সহ ৮জনকে আসামী করে পটুয়াখালী বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১ম আদালতে একটি মামলা করেছেন নিহত জামাল হাওলাদারের পিতা বদরপুর নিবাসী মো. নাজেম হাওলাদার। মামলা নং-৩৪২/১৬, । মামলায় অন্য আসামীরা হচ্ছে শহিদ খাঁ (৩০), মো. হানিফ খাঁ (৩২), মো. সুলতান খাঁ (৩৫), মো. মনির সিকদার (২৮), মো. আনোয়ার হোসেন (৩০), মো. রাসেল ফকির (৩০) ও মো. ফোরকান খাঁ (৩৩)।

মামলায় বাদী নাজেম হাওলাদার বলেছেন, আমার পুত্র জামাল একজন দিনমজুর। প্রতিদিন সকাল ৮টায় বাড়ি থেকে কাজের জন্য বের হত এবং রাত ৮টায় বাড়ি ফিরে আসত। ঘটনারদিন ২৮ মে রাত আনুমানিক ১০টার দিকে মৌকরনের ইসাহাক খা’র বাড়ির সুলতান খা কথার শোনার কথা বলে জামালকে ডেকে নেয়। পরদিন ২৯ মে রবিবার সকাল অনুমান ৫.৩০মিনিটের সময় লোকমুখে জানিতে পারি যে, মৌকর ইসাহা খা’র বাড়িতে আমার পুত্র জামালকে আটক করে উল্লেখিত আসামীরা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে জামালের বিরুদ্ধে শিথ্যা অপবাদ দিয়ে ইসাহাক খা এর খুনের হুকুমে অন্যান্য আসামীরা মারধর করে অমানসিক নির্যাতন করে ঘটনার দিন ২৮ মে রাত অনুমান ১১টা থেকে পরদিন ২৯ মে সকাল ৫টার মধ্যে যে কোন সময় জামালের মৃত্যু ঘটায়। এ খবর শুনে সকাল সাড়ে ৬টার সময় স্থানীয় আঃ হক সিকদার, আনেচ সিকদার, রাজ্জাক হাওলাদার, ছলেমান সিকদার, ফজলু সিকদার ও আঃ মোতালেব হাওলাদারকে নিয়ে  মৌকরন গ্রামের ইসাহা খা’র  বাড়িতে গিয়ে তার উত্তর ভিটির বসত ঘরের সামনে উঠানে আমার পুত্র জামালের নির্যাতিত ও জখমী এবং শরীরে বিভিন্ন ফাটা ফুলা থেতলানো লাশ দেখতে পাই।

আসামীরা তাদের হত্যার অপরাধ থেকে নিজেদেরকে রক্ষা পাওয়ার অপকৌশল হিসাবে আসল ঘটনাকে ভিন্নখাকে প্রবাহিত করার জন্য নিহত জামালের নামে মিথ্যা অপবাদ রটাইয়া জঘন্যতম অপরাধ করেছে। বাদী নাজেম হাওলাদার মামলার আরজিতে তার পুত্র জামাল হত্যার উপযুক্ত বিচার দাবী করেছেন। বিজ্ঞ বিচারক ঘটনার বিষয়ে অপমৃত্যু মামলার সংযুক্ত তদন্ত  করার জন্য পটুয়াখালী সদর থানার ওসিকে নির্দেশ প্রদান করেন।