রমজান আসার আগেই নিত্য প্রয়োজনীয় পন্যের দাম বাড়ছে

6

স্টার্ফ রিপোর্টার ঃ খুচরা বাজারে এক সপ্তাহের ব্যবধানে নিত্য প্রয়োজনীয়  পন্যের দাম বেড়েছে।  বেশ কিছু দিন আগে আমদানী করা রসুনের দাম বাড়লেও এবার দেশী রসুনের উপর প্রভাব পরেছে। গত সপ্তাহে খুচরা বাজারে যে দেশী রসুন বিক্রয় হয়েছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়। গতকাল বুধবার তা বিক্রয় হচ্ছে ৮০ টাকা থেকে ১০০ টাকায়। এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি রসুনে ২০ টাকা বেড়েছে।  দেশী পিয়াজ ৩০ থেকে ৩২ টাকা। তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২ থেকে ৩৫ টাকা। এক সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে ৩ টাকা।   বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ তথ্য জানা গেছে।

পটুয়াখালীর পুরাতন বাজার, নতুন বাজার, নিউ মাকের্টের খুচরা ব্যবসায়ীরা জানান, আমদানী করা পিয়াজ ২০ টাকায়, এছাড়া ছোলাবুট ৮৪ টাকায়, খেসারী ৭০ টাকা থেকে ৭৫ টাকায়, মুগডাল ১০০টাকা থেকে ১২০ টাকায়, মুসরী ডাল ১০০ টাকা থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রয় হচ্ছে। খুচরা বাজারে সয়াবিন  তেল অপরিবর্তীত রয়েছে। ৫ লিটার সয়াবিন  তেল ৪৬০ টাকা ও ৮ লিটার সয়াবিন  তেল ৭২০ টাকা, প্রতি লিটার সয়াবিন  তেল ৯৫ টাকায় বিক্রয় হচ্ছে।  খোলা সয়াবিন তৈল প্রতিলিটার ৭৫ থেকে ৮৫ টাকা। আস্ত হলুদ প্রতিকেজি ১৫০ টাকা থেকে ১৮০টাকায়, শুকনা মরিচ ১০০ টাকা থেকে ১৫০ টাকায় । হলুদের গুড়া ১৮০টাকা থেকে ২০০ টাকায় ও মরিচের গুড়া ১৫০ টাকা থেকে ১৭৫ টাকায় বিক্রয় হচ্ছে।

এছাড়া শহরের বিভিন্ন কাঁচা বাজারে গিয়ে দেখা  গেছে, মান ভেদে প্রতি কেজি বেগুন ৪০ থেকে ৫০ টাকায়, খিরই ৩০ টাকায়, চিচিঙ্গা ৩০ টাকায়, ধুন্দল ৩০ টাকায়,কচুর লতি ৩০ টাকায়, কাচা মরিচ ৫০ টাকায়, ঢেড়স ১০ টাকায়, পটল ২০ টাকায়, কাকরল ৮০ টাকা, গাজর ৪০ টাকা, টমেটো ৬০ টাকা, পেপে ৩০ থেকে ৩৫ টাকায় বিক্রয় হচ্ছে। এছাড়া  প্রতিটি ছোট কুমড়া ৩০ টাকায় এবং বড় কুমড়া ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রয় হচ্ছে।  পল্ট্রি মুরগির ডিম প্রতি হালি ৩২ টাকায় ও হাস প্রতি হালি ৪০ টাকায় বিক্রয় হচ্ছে। পল্ট্রি মুরগির ১০০ ডিম পাইকারী ৭৪০ টাকা এবং হাসের ১০০ ডিম পাইকারী ৯০০ টাকায় বিক্রয় হচ্ছে।

পল্টি মুরগী একসপ্তাহ আগে ১৩৫ টাকা বিক্রয় হলেও প্রতি কেজি বেড়ে দারিয়েছে ১৫০ টাকা। দেশী  মুরগী অপরিবর্তীত ৩৮০ টাকা। কক মুরগী ২৬০ টাকায় বিক্রয় হচ্ছে। খাসির মাংস এক সপ্তাহ আগে প্রতি কেজি ৬০০ টাকায় বিক্রয় হলেও তা ৬৫০ টাকায় বিক্রয় হচ্ছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজি প্রতি বেড়ে ৫০ টাকা। প্রতি কেজি গরুর মাংস অপরিবর্তীত ৪৫০ টাকায় বিক্রয় হচ্ছে। রমজান আসতে না আসতেই এভাবে নিত্য প্রয়োজনীয়  পন্যের দাম বাড়লে সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাবে বলে মনে করছেন। তাই বাজার নিয়ন্ত্রনে প্রশাসনের সু-দৃষ্টি কামনা করছেন সাধারণ মানুষ।