রাঙ্গাবালীতে স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতার বিরুদ্ধে মামলা মামলার ইন্দনদাতাই তদন্তের দায়িত্বে

0

 

রাঙ্গাবালী প্রতিনিধি ঃ পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি এস আলমের বিরুদ্ধে করা চাঁদাবাজির মামলাকে শক্তপোক্ত করতে আইনজীবির মাধ্যমে তদন্তভার এনেছেন মামলার ইন্ধনদাতা নিজেই, এমনটাই অভিযোগ এনেছেন অভিযুক্তরা।

রবিবার রাঙ্গাবালীর বাহেরচর গ্রামের খালেক কাজীর স্ত্রী আফরোজা বেগম বাদি হয়ে এস আলমসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে গলাচিপা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ওই মামলা করেন । মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন এস আলমের ভাই এনায়েত আকন, রিয়াদ হোসেন আকন, বাচ্চু আকন, ইমতিয়াজ আকন এবং আরেক ব্যক্তি রিপন হাওলাদার । তাদের সকলের বাড়ি রাঙ্গাবালীর আমলিবাড়িয়া গ্রামে। বাদির অভিযোগ, ২ অক্টোবর উপজেলার বাহেরচর গ্রামে পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া জমিতে আফরোজা বেগম ঘর তুলতে চাইলে আসামীরা ঘর নির্মাণে বাঁধা দেন একই সাথে দেড়লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদার টাকা দিতে না পারায় তাতে প্রাণ নাশের হুমকি দেয় আসামিরা।

এদিকে অভিযুক্ত এস আলমের দাবি, উপজেলা যুবলীগ সভাপতি ও রাঙ্গাবালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হুমায়ুন তালুকদারের সঙ্গে আমার রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব রয়েছে। এজন্য আমাকে হয়রানি করতে তার (হুমায়ুন) নিকটজনকে ইন্ধন যুগিয়ে চাঁদাবাজির মিথ্যা মামলা দায়ের করিয়েছেন। মামলাকে শক্তপোক্ত করতে হুমায়ুন চেয়ারম্যান আইনজীবির মাধ্যমে তার ওপর (হুমায়ুন) তদন্তভার এনেছে। আমি নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করছি।’

এ ব্যাপারে রাঙ্গাবালী ইউপি চেয়ারম্যান হুমায়ুন তালুকদার জানান, ‘কার বিরুদ্ধে কি মামলা হয়েছে এবং আমি তদন্তকারী কর্মকর্তা কিনা তাও জানি না। আমি তদন্তকারী কর্মকর্তা হলে দুইপক্ষকে ডেকে তদন্ত করবো। তখন কারো পক্ষে অবস্থান নিলে কেউ অভিযোগ করতে পারে। আদালত আমাকে তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করলে সেটা আদালতের ব্যাপার। এখানে আমার কিছু করার নেই।’