রোয়ানুতে ক্ষতিগ্রস্ত কুয়াকাটাসহ উপকূলীয় এলাকায় লাগেনি ত্রানের ছোয়া

0

 

মোঃ মনিরুল ইসলাম মহিপুর প্রতিনিধিঃ গত ১৯ জুনঃ ঘূর্ণিঝড় রোয়ানুতে ক্ষতিগ্রস্থ কুয়াকাটাসহ উপকূলীয় এলাকায় লাগেনি ত্রানের ছোয়া। ঘূর্নিঝড় রোয়ানু চলে যাওয়ার একমাস অতিবাহিত হলেও কুয়াকাটা, কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালী উপকূলীয় এলাকার বিভিন্ন জনপদে  রেখে গেছে ধ্বংসের চিহ্ন। আর মানুষের মাঝে বাড়িয়ে দিয়ে গেছে দুর্ভোগ।

ঘূর্নিঝড় ‘রোয়নু’র প্রভাবে সাগর উত্তাল হয়ে ওঠার কারনে কুয়াকাটার উপকূলীয় অঞ্চলে বিভিন্ন নদ-নদীতে জোয়ারের পানি স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়ে যাওয়ায় মহিপুর থানার নিজামপুর, চম্পাপুর ইউনিয়নের দেবপুর, ধানখালী ইউনিয়ন, রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ, চরবেস্টিনসহ বিভিন্ন এলাকার বেরিবাঁধ ভেঙ্গে জোয়ারের পানি ঢুকে প্লাবিত হয়েছিল ৩৫ টি গ্রামের বিস্তির্ন অঞ্চল। ভেঙ্গে গেছে কুয়াকাটার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের উমেদপুর, নিজকাটা, দৌলতপুরের তিনটি স্লুইজগেট। এসব গ্রামের মানুষ এখনো রয়েছে পানি বন্ধী। জোয়ার ভাটার সাথে তাল মিলিয়ে চলছে ওই সকল দূর্গত এলাকার মানুষের জীবন যাত্রা। নিজামপুর গ্রারে ইসাহাক হ্ওালাদার জানান রমজান মাস সেহরী ও ইফতার করতে হয় অন্যের বাড়িতে।হানিফ জানান কখনো কখনো খাবার জোটে আবার কখনো কখনো  সেহরী না খেয়েই রোজা রাখতে হয়। মহিপুর সদর ইউনিয়ার চেয়ারম্যান আঃ ছালাম আকন জানান এমুহুর্তে সরকারের পাশাপাশি ধনাঢ্য ব্যক্তিদের সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়ে দুঃখ লাগবে এগিয়ে আসা উচিৎ। ঘূর্নিঝড় রোয়ানু তান্ডবে ঘর দুয়ার বাড়ি সবকিছু বিলিন হয়ে  গেছে। দেবপুরে শাহআলম জানান মোগো দুঃখ দূর্দশা দেখার মতো কোন লোক আমরা দেখিনা  খেয়ে আছি না খেয়ে আছি  এমন কেউ নেই ২ সের বা দশ সের চাল দিয়ে উপকার করবে। লবন পানি উঠে বর্তমানে চাষাবাদ বন্ধ। চাষবাস করে জমিতে ফসল ফলানোর কোন সুযোগ নেই বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে লবন পানি উঠে প্লাবিত হয়ে আছে।

রমজানের সেহরী খেতে হয় একবাড়ি ইফতার করতে হয় আরেক বাড়ি। সামনের দিনগুলি খুবই ভয়াবহ। কোথায় থাকবে আর কোথায় খাবে। পালিত পশু পাখি নিয়ে রয়েছে চড়ম বিপাকে । এলাবাসির দাবী ব্লক দিয়ে বেরিবাধ পূনঃ নির্মানের দাবী জানান।

পটুয়াখালী  জেলা প্রশাসক  এ, কে,এম , শামিমুল হক সিদ্দিকি জানান ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষয়ক্ষতির কথা স্বীকার করে ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকা করে ত্রাণ বিতরনের কথা জানান ।