লঞ্চের পরিবর্তে  ট্রলার চলাচল ঝুঁকিতে

0

বার্তা রিপোর্টঃ পটুয়াখালীর দুর্গম এলাকা রাঙ্গাবালীর একমাত্র উপজেলা প্রবেশ পথ নৌ- রুট। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন এই উপজেলার মানুষ নানা সমস্যার সম্মূখীন হলেও অন্যতম সমস্যার মধ্যে রয়েছে যাতায়ত ব্যবস্থা। এ উপজেলায় প্রবেশের একমাত্র সহজ পথ গলাচিপা উপজেলার পানপট্টি লঞ্চ ঘাট থেকে  কোরালীয়া লঞ্চঘাট। লঞ্চ যাতায়তে ভয়ানক আগুনমূখা এই নদী পারি দিতে সময় লাগে ৩০ মিনিট। এই রুটে যাত্রী পাড়াপারের জন্য নৌ- বন্দর কর্তৃপক্ষে কাগজ পত্রে লঞ্চের সময় নির্ধারন করা থাকলেও বাস্তব চিত্র ভিন্ন। লঞ্চ মালিক কর্র্তৃপক্ষ অতিরিক্ত উপার্জনের আসায় লঞ্চের পরিবর্তে ছোট ছোট ষ্টিল ও কাঠ বডি ট্রলার দিয়ে যাত্রী পারাপার করছে। মানছে না সরকার নির্ধারিত ভাড়া। ট্রলার মালিক কর্তৃপক্ষের মনগরা সময় নির্ধারন ও তাদের বেঁধে দেয়া ভাড়া জন প্রতি ৫০ টাকা করে আদায় করছে। মালিক কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত অতিরিক্ত  ভাড়া সম্পর্কে কোন যাত্রী প্রতিবাদ করলে তাদের হেয়পতিপন্ন কিংবা মারধরের স্বীকার হতে হচ্ছে। বর্তমানে ঝড় বাদলে  মৌসুম থাকায় নদী পাড়াপারে অনেকটা অনিশ্চিয়তার মধ্যে চরাঞ্চলবাসি জান মালের নিরাপত্তা এ যেন দেখছেন না পটুয়াখালী নদী বন্দর কর্তৃপক্ষ।

অভিযোগ রয়েছে পটুয়াখালী নদী বন্দর কর্মকর্তার যোগসাজসে লঞ্চের পরিবর্তে এসব ছোট ছোট ট্রলার চলাচল করছে পানপট্টি কোড়ালিয়ার রুটে।  কোরালিয়া খেয়াঘাটে  গেলে দেখা যায়, ঘন্টার পরে ঘন্টা ট্রলারের অপেক্ষায় বসে রয়েছে চল্লিশ  থেকে পঞ্চাশ জনের মত যাত্রী। নিয়মিত যাতায়ত করা রহমান, ইদ্রিস, আসমা, সহ  আরো কয়েকজন যাত্রী তারা জানান, বিগত দিনে যাতায়ত ব্যবস্থা সহ রাঙ্গাবালী উপজেলা বাসীর ভাগ্য উন্নয়নের জন্য রাজনৈতিক দল গুলো প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসলেও বাস্তবে উন্নয়নের কোন  ছোয়া  নেই এ উপজেলায়। বিগত দিনে উপজেলা থেকে অসুস্থ  রোগী নিয়ে জেলা সদর পটুয়াখালী হাসপাতালে নিয়ে আসার সময় নদীতে ট্রলারে প্রান  দেয়ার ঘটনাও ঘটেছে অনেক। সরকার কিংবা নৌ- মন্ত্রনালয়ের পক্ষ থেকেও উপজেলা বাসীর যাতায়ত ব্যবস্থার কোন সু- পদক্ষেপ লক্ষ করা যাচ্ছে না। এ উপজেলা বাসীর প্রধান সমস্যা যাতায়াত ব্যবস্থা। এ সমস্যর কবল থেকে কবে মুক্ত হবে চরাঞ্চল বাসী তা জানা না থাকলেও অচিরেই ঝুঁকিপূর্ন  ট্রলারের পরিবর্তে  লঞ্চ সার্ভিস চালু করবে সরকারের সংশ্লিষ্ট নৌ- বন্দর কর্তৃপক্ষ, দুর্ভোগ লাঘব হবে চরাঞ্চল বাসীর এমনটাই প্রত্যশা সকলের।