শেষ মূহূর্তের পশশুর হাটে চাহিদার তুলনায় আমদানি কম, গরুর দাম চড়া

0

চিনময় কর্মকার ঃ প্রায় শেষ মুহুর্তেও জমে উঠেনি পটুয়াখালীর পশুর হাট। কোরবানীর বাকি মাত্র একদিন হলেও হাট-বাজরে আসেনি এখনও পর্যাপ্ত গরু-ছাগল। যেসব ক্রেতা হাটে উপস্থিত হন তাদের অধিকাংশই এখনও কিনতে পারেননি কোরবানীর পশু। বেশির ভাগ দাম শুনে চলে যান পরবর্তী হাটে কম দামে কেনার আসায়। উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের ফার্মের কিছু গরু আসলেও ভারতীয় গরু বাজারে না থাকায় দেশী গরুর দাম এবার বেশি। এ অবস্থায় অনেকেই অপেক্ষা করছেন শেষ দিনটি পর্যন্ত দাম কমার আশায়। এছাড়া বৈরী আবহাওয়ার কারনেও বেচা-কেনা কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে।

অধিকাংশ ক্রেতা জানান, ভারতীয় গরু আমদানী বন্ধ থাকায় আগে থেকই গরুর বাজার চড়া। কোরবানীকে সামনে রেখে সেই পালে যেন আরো হাওয়া লেগেছে। গতবছর যে গরুর দাম ছিল ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা, সেই গরুর দাম হাকা হচ্ছে এবার ৬০ হাজার। শহর এলাকার গরুর হাট গতকাল থেকে কিছুটা জমেছে। তবে লঘুচাপের প্রভাবে কয়েকদিনের বৃস্টিতে বেচা-কেনা ব্যাহত করেছে বলে মনে করেন তারা।

পটুয়াখালীর হেতালিয়া বাঁধঘাট হাটে কুষ্টিয়া অঞ্চলের খামারের কিছু বিশাল আকারের গরু দেখা যায়। এর মধ্যে একটি গরুর দাম হাকা হয় চার লাখ টাকা। ক্রেতারা দুই লাখ ১০ হাজার পর্যন্ত দাম বললেও আরো বেশি দাম পাওয়ার আশায় গরুটি হাতছাড়া করেননি বেপারি। ওই গরুতে ১২ মন মাংশ হবে জানানো হয়।

 

 

বিক্রেতাদের দাবি বৃস্টির কারনে বেচা-কেনা কম। এছাড়া ক্রেতাদের সাথে দরদামে কিছুটা ফারাক থাকায় কাঙ্খিত বিক্রি হচ্ছেনা।

 

হেতালিয়া বাঁধঘাট পশুর হাটের খাজনা আদায়কারী মোহাম্মদ হোসেন জানান, পটুয়াখালী জেলা শহরের পশুর হাট গতকালই যা একটু জমেছে। শহর এলাকার মানুষ কোরবানীর গরু শেষ মুহুর্তে কিনে থাকেন। ভারতীয় গরু আমদানি নেই এ অঞ্চলের হাট-বাজারে। সামনের একদিন বাকি ক্রেতারা কোরবানীর গরু কিনবেন বলে মনে করছেন হাটের এই খাজনা আদায়কারী।

 

শেষ মুহুর্তে এসে কতটা কমে পটুয়াখালীর হাট-বাজারে কোরবানীর পশুর দাম সেটাই এখন অপেক্ষার পালা ক্রেতাদের কাছে।