সহপাঠির কামড়ে ক্ষত-বিক্ষত শিক্ষার্থী

0

কৃষ্ণ কর্মকার, বাউফল ঃ বিদ্যালয়ে এসে সহপাঠিদের কামড়ে ক্ষত-বিক্ষত হয়েছে পটুয়াখালীর বাউফলের এহসানুল হক তাওহিদ নামে নবম শেণির এক শিক্ষার্থী। মঙ্গলবার সকালে কালিশুরী এসএ ইন্সটিউশনে ওই ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর স্থানীয় চিকিৎসায় শিক্ষার্থীর অবস্থার উন্নতি না হলে রাত ১১টার দিকে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

ইন্সটিটিউশনের শিক্ষার্থীরা জানায়, ‘প্রতিদিনের মতো ক্লাস শুরুর কিছুক্ষণ আগে শ্রেণি কক্ষে প্রবেশ করে তাওহিদ। বেঞ্চের ওপর বই রেখে বসতেই সহপাঠি রায়হান তার চুল ধরে টান দেয়। এ সময় লাবিব ও ইমতিয়াজ হোসেন রাজু নামে আরো দুই সহপাঠি যোগ দিয়ে তাওহিদকে উত্তক্ত করে কথাবার্তা বলতে থাকে। এতে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে লাবিব ও রাজু তাওহিদকে দিগম্বর করে হাত-পা ধরে ফেলে এবং রায়হান তার নিন্মাঙ্গ টেনে ধরে, মাথায়, পিঠে, বাহুতে কামড়ে ক্ষত-বিক্ষত করে উল্লাশ করতে থাকে। পরে কালিশুরী ইউনিয়ন কমিউনিটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার শহিদুর রহমান সেলিমের মাধ্যমে চিকিৎসা দিলে অবস্থার উন্নতি না হলে রাত ১১টার দিকে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এ ব্যাপারে তাওহিদের বাবা কালিশুরী ডিগ্রী কলেজের ইংরেজি প্রভাষক খালিদুর রহমান বলেন, ‘ঘটনার দিন ঢাকায় অবস্থান করায় আমার ছেলেটির তাৎক্ষনিকভাবে উন্নত চিকিৎসার ব্যাস্থাও করা হয়নি। কমিটির সভাপতির সঙ্গে যোগাযোগ করে ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চেয়ে ইস্টটিটিউটের প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।’

এ ব্যাপারে ইন্সটিটিউটের প্রধান শিক্ষক মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘ক্লাস শুরুর আগে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ওই ঘটনার সময় বিদ্যালয়ে পৌঁছে শিক্ষকদের অনেকে মিলনায়তনে পরীক্ষার কেন্দ্র পরিচালনা নিয়ে মিটিংয়ে ব্যাস্ত ছিলেন। আহত তাওহিদের খোঁজ-খবর রাখা হচ্ছে। বিদ্যালয় কমিটি ও অভিভাবকদের সঙ্গে বৈঠক করে অভিযুক্তদের ব্যাপারে কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তার সৌরভ হোসেন বলেন, ‘তাওহিদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে কামড়ের দাগ দেখা গেছে। তবে সে এখন শঙ্কামুক্ত।##