সহপাঠির মুক্তির দাবীতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন

1

 

কে এম সোহেল, আমতলী প্রতিনিধিঃ   বরগুনা আমতলী উপজেলার উত্তর সোনাখালী স্কুল এন্ড কলেজের  সোহাগ গাজীকে  নামক এক এইচ এস সি পরিক্ষার্থীকে শিক্ষক কর্তৃক নির্যাতনের পর  শিক্ষকের দায়েরকৃত মামলায় গ্রেফতার করেছে আমতলী থানা পুলিশ । সোমবার সকালে সহপাঠির নি:শর্ত মুক্তির দাবীতে  বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থীরা । সোমবার বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে ওই কলেজ চত্বরে এ বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করা হয়।

এসময় সহপাঠি রায়হান ও কুদ্দুস তাদের বক্তব্য বলেন, জাহিদুল স্যার একজন অত্যাচারি শিক্ষক। তাছাড়া একটি ছিনতাই মামলা দিয়ে আমাদের সহপাঠি সোহাগ গাজীকে জেল হাজতে পাঠিয়েছেন। সোহাগের যতদিন পর্যন্ত মুক্তি না হবে ততদিন আমাদের আন্দোলন চলবে।উল্লেখ্য, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি শনিবার সকাল দশটায় স্কুল চলাকালিন সময় ছাত্র সোহাগ গাজীকে শারিরীক ভাবে নির্যাতনের পর পুলিশের হাতে তুলে দেয় শিক্ষক জাহিদুল।

এলাকাবাসী জানায়,গত ২৫ ফেব্রুয়ারী শনিবার সকাল পৌনে দশটায় স্কুল চলাকালিন সময় ছাত্র সোহাগ গাজীর হাচি দেয়াকে কেন্দ্রকরে উক্ত প্রতষ্ঠানের সহকারী প্রধান শিক্ষক জাহিদুল ইসলাম কর্তৃক ছাত্র সোহাগ গাজীকে শারিরীক ভাবে নির্যাতনের পর পুলিশের হাতে তুলে দেয় শিক্ষক।পরে শিক্ষক জাহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে ছাত্র সোহাগ গাজীকে আসামী করে আমতলী থানায় ৩২৩/৩৭৯/৫০৬ ধারায় একটি মামলা দায়ের করে,যার মামলা নং ৩১ তাং ২৫/০২/১৭।

উক্ত মামলায় আমতলী থানা পুলিশ ছাত্র সোহাগ গাজী গ্রেফতার করে আমতলী সিনিয়র জুডিশিয়াল কোর্টেও মাধ্যমে বরগুনা জেল হাজতে প্রেরন করেন।

নাম প্রকাশ করতে অনইচ্ছুক অনেকে জানিয়েছে,সোহাগ গাজীর পিতা স্থানীয় আওয়ামীলীগ কর্মী মোহাম্মাদ গাজী  ঔষধ ব্যাবসা করেন ঐ অভিযুক্ত শিক্ষক  বিএনপি কর্মী জাহিদুল ইসলাম ও পাশাপাশি ঔষধ ব্যাবসা করেন, সোহাগের বাবার ব্যাবসার কারনে জাহিদুল ইসলামের দোকানে ক্রেতারা কম আসেন,তাই সোহাগের বাবার সাথে ব্যাবসায়ীক  দলীয় আক্রোশের কারনেই এই ঘটনা ঘটিয়েছেন শিক্ষক জাহিদুল । তবে শিক্ষক সোহাগকে অহেতুক পুলিশে দিয়ে কাজটা ঠিক করেননি বলেও মন্তব্য করেছেন গ্রামবাসীরা। এ বিষয়  শিক্ষক জাহিদুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে শিক্ষক কোন সদ উত্তর দিতে পারেননি।এবিষয়ে আমতলী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম মস্তোফা জানিয়েছেন,  শিক্ষক কর্তৃক এ এধরনের  ঘটনা ঘটলে তদন্ত সাপেক্ষ কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।