স্কুল ছাত্রী আত্মহত্যা প্রোরচনা মামলার প্রধান আসামী মাসুম ফকির গ্রেফতার

2

 

কে এম সোহেল,আমতলী প্রতিনিধিঃ আমতলীর কুকুয়া আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির ছাত্রী ইসরাত জাহান ইভা (১৪) আত্মহত্যায় প্রোরচনা দেওয়া মামলার প্রধান আসামী মাসুম ফকিরকে (২৫) সোমবার রাতে বরিশালের নতুল্লাবাদ বাসস্টান্ড এলাকা থেকে গ্রেফতার করে আমতলী থানার পুলিশ। মঙ্গলবার সকালে মাসুম ফকিরকে কোর্টের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়।

আমতলী থানা পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ছয় মাস ধরে ইসরাত জাহান ইভাকে উত্যাক্ত করত একই এলাকার পূর্ব সোনাখালী গ্রামের জলিল ফকিরের ছেলে মাসুম ফকির। মাসুম ইসরাতের চাচাত ভাই আবুল বাশারের শ্যালক। গত ১ সেপ্টেম্বর মাসুম ফকির বাড়িতে বেড়াতে এসে ওই দিন রাতে কুপ্রস্তাব দেয় ইসরাতকে।  এ ঘটনার কথা ইসরাত তার মাকে জানায়। পরের দিন শুক্রবার সকালে ইসরাতের বাবা মঞ্জুরুল কবির এ বিষয়ে মাসুমের বোন নুপুর বেগম ও বাবা জলিল ফকিরের কাছে অভিযোগ করেন। তবে তারা ছেলের পক্ষ নিয়ে  তারা ইসরাত ও তার পরিবার সম্পর্কে গাল মন্দ করেন। ওই দিন রাত ৯টার দিকে ইসরাত ঘরের একটি কক্ষের আড়ার সাথে গলায় ওড়না পেচিয়ে আত্মহত্যা করেন। এ ঘটনায় ৩ সেপ্টম্বর শুক্রবার রাতেই ইসরাতের বাবা মঞ্জুরুল কবির বাদী হয়ে মাসুম ফকির বাবা জলিল ফকির ও বোন নুপুর বেগমকে আসামী করে আমতলী থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ এনে আমতলী থানায় মামলা করেন। মামলার পরপরই আসামীরা পালিয়ে যায়। দীর্ঘ দিন পলাতক থাকার পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মামলার তদন্ত কারী কর্মকর্তা এসআই মো: শহীদুল ইসলামের নেতৃত্বে একদল পুলিশ বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশের সহযোগিতায় সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নতুল্লাবাদ বাস স্টান্ড এলাকা থেকে ইসরাত জাহান ইভার আত্মহত্যা প্ররোচনা দেওয়া মামলার প্রধান আসামী মাসুম ফকিরকে গ্রেফতার করে। মঙ্গলবার সকালে তাকে আমতলী উপজেলা সিনিয়র জুডিশিয়া ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করলে আদালতের বিচারক মাসুম ফকিরের জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।