স্বতন্ত্র ক্যাম্পাসেই প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ- বিএমএ সভাপতি

2

মুজাহিদ প্রিন্সঃ বাংলাদেশ মেডিকেল এশোসিয়েশন(বিএমএ) সভাপতি ডা: মোস্তাফা জালাল মহিউদ্দীন বলেছেন পটুয়াখালী  মেডিকেল কলেজ অবশ্যই স্বতন্ত্র ক্যাম্পাসে প্রতিষ্ঠিত হবে। আগামী প্রজন্মের কথা বিবেচনা করে একটি মনোরম পরিবেশে মেডিকেল কলেজের ক্যাম্পাস স্থাপন করা হবে। পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ নির্মানে বিএমএ সকল ধরনের সহযোগিতা করবে বলেও মত প্রকাশ তিনি। তিনি বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা মানুষের দোড় গোড়ায় স্বাস্থ্য সেবা পৌছে দিতে বদ্ধ পরিকর। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে তৃনমুল পর্যায়ে কাজ করছে বিএমএ। তিনি শুক্রবার সকালে কুয়কাটায় একটি বেসরকারী টেলিভিশনকে দেয়া সাক্ষাতকারে এ সব কথা বলেন। এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে কুয়াকাটায় পৌছে কুয়াকাটায় বিএমএ’র নির্মিত প্রশিক্ষন কেন্দ্র ও রেষ্ট হাউসের উদ্বোধন করেন তিনি। পরে রাতে সিকদার রিসোর্টের কনফারেন্স হলে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ডাক্তারদের সমাবেশে বক্তব্য প্রদান করেন তিনি। বিএমএ’র কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ,বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যারয়ে প্রো-ভিসি,পটুয়াখালী পৌরসভার মেয়র ডাঃ মোঃ শফিকুল ইসলাম, পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষসহ সারা দেশ থেকে আসা প্রায় তিন শতাধিক ডাক্তার সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বিএমএ সভাপতি বলেন,রাজনৈতিক কারনে অথবা ব্যক্তি স্বার্থে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ স্থাপন নিয়ে একটি গ্রুপ ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করার অপচেষ্টা করছে। কিন্তু আমাদের স্মরনে রাখতে হবে আমরা যাকে জন্ম দিচ্ছি জন্মের সময়ই যদি সে পঙ্গু হয়ে যায় তাহলে তার ভবিষ্যত কি ? বাংলাদেশের সকল মেডিকেল স্বতন্ত্র ক্যাম্পাসে অবস্থিত পটুয়াখালীও তার ব্যতিক্রম হবে না। আগামী স্বল্প সময়ের মধ্যে বরিশাল মেডিকেল কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রুপান্তর করা হবে। তখন পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজের পরিসর আরো বড় হবে। এখানে দেশ বিদেশের মানুষ চিকিৎসা নিতে আসবে। নতুন কোন মেডিকেল কলেজ করা হলে সেটি সাজিয়ে গুছিয়েই করা হবে বলে মতামত প্রকাশ করেন তিনি। ডাক্তারদের প্রতি আহবান জানিয়ে তিনি বলেন,আপনারা রোগীদের স্বজন হিসেবে কাছে টেনে নিয়ে চিকিৎসা প্রদান করুন দেখবেন আপনার ব্যবহারের কারনেই রোগীরা অর্ধেক ভালো হয়ে যাবে। মানুষের সেবা করার ব্রত নিয়ে যেহেতু আপনার এই পেশায় এসেছেন তাই আপনাদের উপরই নির্ভর করবে দেশের স্বাস্থ্য ভবিষ্যত। তিনি ডাক্তারদের সমালোচনা করে বলেন কিভাবে একজন ডাক্তার হাসপাতালে ডিউটি না করে ক্লিনিকে চলে যায় আমি ভেবে পাই না। একজন ডাক্তার কিভাবে ৭০/৮০ জন রোগী দেখেন। কম রোগী দেখে নিজের মস্তিষ্ক ঠিক রাখার জন্য ডাক্তারদের অনুরোধ করেন তিনি। পরে ঢাকার উদ্দেশ্যে কুয়াকাটা ত্যাগ করেন তিনি।