২০২১ সালের মধ্যে দেশের প্রতিটি ঘরে বিদ্যুতের আলো পৌছে দেয়া হবে -বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ

0

 

এম. রহমান, দুমকি প্রতিনিধি ঃ ২০২১ সালের মধ্যে দেশের প্রতিটি ঘরে বিদ্যুতের আলো পৌছে দেয়া হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী মোঃ নসরুল হামিদ। আজ দুপুরে পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় সাত গ্রামে প্রায় ১৭ কিলোমিটার পল্লী বিদ্যুতের লাইন নির্মান কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন । তিনি আরও বলেন, আওয়ামীলীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছেন। তারই ধারাবাহিকতায় পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় নির্মিত হচ্ছে দেশের প্রথম গভীর সমূদ্র বন্দর ও ১৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র। দেশের উন্নয়নের ধারাকে অক্ষুন্ন রাখতে নির্বাচনের বাইরে থেকে যারা জ্বালাও-পোড়াও, মানুষ খুন করে এ দেশকে জঙ্গীবাদের রাষ্ট্রে পরিনত করতে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল সেইসব ঘৃণ্য রাজনীতি প্রতিরোধে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সব সময় সজাগ থাকার আহবান জানান তিনি।

গতকাল শনিবার সকালে উপজেলার বাহেরচর গ্রামে জাতীয় পার্টির সভাপতি মো: সুলতান আহমেদ হাওলাদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন পটুয়াখালী-১ আসনের সাংসদ এবিএম রুহুল আমীন হাওলাদার, পুলিশ সুপার সৈয়দ মোসফিকুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো: দেলোয়ার হোসেন, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের স্থায়ী কমিটির সদস্য সুনীল চন্দ্র দে, পটুয়াখালী জেলা আ’লীগের সাধারন সম্পাদক ও জেলা পরিষদ প্রশাসক খান মোশাররফ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী আলমগীর, উপজেলা আ’লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ শাহজাহান সিকদার।

 

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তৃতা করেন, মোঃ আলতাফ হোসেন তালুকদার, জিএম জাফর উল্লাহ, সৈয়দ শাহআলম, জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মোঃ নাসির উদ্দিন, আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ। এ সময় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ব্যবস্থাপক ইঞ্জিনিয়ার হাবিব আহম্মেদ, দুমকির ইউএনও মো: হাফিজুর রহমানসহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ, জাতীয় পার্টি ও আওয়ামীলীগের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতা-কর্মী, প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকসহ, বিভিন্ন পর্যায়ের হাজার হাজার জনতা উপস্থিত ছিলেন।

 

পায়রা সমুদ্র বন্দর, তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র, পদ্মা সেতুসহ বিভিন্ন উন্নয়নের উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, শেখ হাসিনা সরকারে এলেই দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়ন হয়। এ সময় ২০১৮ সালের মধ্যে পটুয়াখালী সদর, মির্জাগঞ্জ ও দুমকি উপজেলার ৬০০ কি.মি. বিদ্যুতের লাইন সম্প্রসারনের মাধ্যমে প্রতিটি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ ও ১সপ্তাহের মধ্যে জেলা শহরে অত্যাধুনিক ট্রান্সফর্মার স্থাপনের অঙ্গীকার করেন মন্ত্রী।