রাঙ্গাবালীতে খাস জমিতে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ

4

pic-1

 

বিশেষ প্রতিনিধি : পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় খাস জমি দখল করে অবৈধ ভাবে বহুতল ভবন নির্মাণ করছে স্থানীয় এক প্রভাবশালী ব্যবসায়ী। ওই জমি উদ্ধারে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর কোন উদ্যোগ নিচ্ছে না বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।

এলাকাবাসী জানান, উপজেলার বাহেরচর বন্দরের ব্যবসায়ী আব্বাস হাওলাদার বাহেরচর-চতলাখালী সেতুর পূর্ব পার্শ্বে খাল দখল করে প্রায় দুই শতাংশ জমিতে বহুতল ভবন নির্মাণ করছে। ভবন নির্মাণে প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও আব্বাস ভবন নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে ভবনটির নিচতলার কাজ প্রায়ই শেষ হয়ে গেছে।

সূত্রে জানায়, ভবনটি উপজেলার ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের চতলাখালী মৌজায় অবস্থিত। চতলাখালী মৌজার ২৪৫০ নম্বর দাগের ওই জমি পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের নামে এক নম্বর খাস খতিয়ানে দিয়ারা জরিপ হয়েছে। যার জেএল-১৮০ এবং এসএ দাগ-২৯৬। ইতোমধ্যে খাস জমি দখলদারের কাছ থেকে উদ্ধারের জন্য রাঙ্গাবালী ইউনিয়ন ভূমি সহকারি কর্মকর্তা একটি প্রতিবেদন দাখিল করেছেন উপজেলা সহকারি কমিশনারের কাছে। যার স্বারক নম্বর-ইউঃভূঃঅঃরাঃ/২০১৫-৪৪। যদিও খাস জমি উদ্ধারে কতৃপক্ষের রয়েছে চরম উদাসিনতা।

খাস জমি দখল করে অবৈধ ভাবে বহুতল ভবন নির্মাণের ব্যাপারে জানতে চাইলে আব্বাস হাওলাদার বলেন, ‘ওই জমি রিকর্ডি সূত্রে আমি মালিক। এ বিষয়টি সবাই জানে। রাঙ্গাবালী উপজেলা চেয়ারম্যান সালিশি করে দিয়েছে। অনেক সাংবাদিক ওখানে এসেছে।’

রাঙ্গাবালীর চতলাখালী এলাকার বাসিন্দা জলিল খলিফা বলেন, ‘আব্বাস ক্ষমতার বলে অবৈধ ভাবে সরকারি জমিতে ভবন নির্মাণ করছে। আমি আব্বাসের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেছিলাম। কিন্তু সরকারকে বিবাদী করে সিকস্তি এবং পয়স্তির বিরুদ্ধে কোন মামলা করিনি।’

এ ব্যাপারে রাঙ্গাবালী ইউনিয়ন ভূমি সহকারি কর্মকর্তা চাঁন মিয়া বলেন, ‘আব্বাস হাওলাদারকে ভবন নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখতে বলা হয়েছিল। কিন্তু সে ওই জমির রেকর্ডি মালিক দাবি করে ভবন নির্মাণ করছে। খাস জমি উদ্ধারের জন্য উপজেলা সহকারি কমিশনারের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করেছি। এখন কাগজ-পত্র পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।