10

মোঃ মনিরুল ইসলাম,মহিপুর প্রতিনিধি ঃ অবিশ্বাস্য হলেও নির্মম বাস্তব সত্য মহিপুর ইউনিয়নের নজিবপুর গ্রামের সেকান্দার ফকির’র পুত্র মোঃ শানু ফকির (আইডি নং ৭৮১৬৬২৩৫৭৪৯১৯) ৭মাস পূর্বে মৃত্যুবরণ করলেও অজ্ঞাত ও রহস্যজনক কারণে অলৌকিক শক্তির বলে কবর থেকে উঠে এসে মাষ্টার রোলে টিপ সই দিয়ে হতদরিদ্রদের ১০ টাকার চাল উত্তোলন করার চাঞ্চল্যকর তথ্য মিলেছে। পরবর্তী মেয়াদের চাল উত্তোলনের জন্য মুঠোফোনে কবর থেকে জালাল চৌকিদারের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন। ব্যাপক অনিয়ম ও লুটপাটের অভিযোগ বিরাজমান। সংশ্লিষ্ট খাই খাই মার্কা ডিলার ও একটি প্রভাবশালী মহল প্রস্তাবিত জেলা কলাপাড়ার হতদরিদ্রদের জন্য বরাদ্দকৃত ১০ টাকা দরের চাল কালো বাজারে বিক্রয় করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। এর ফলে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির নির্দেশেনা চরমভাবে উপেক্ষিত হচ্ছে তেমনি সুবিধা বঞ্চিত হচ্ছেন হতদরিদ্র সাধারণ আমজনতা। খাই খাই মার্কা জাতীয়তাবাদী চেতনার অধিকাংশ ডিলার সরকার বিরোধী মিশন নিয়ে সরকারী দলের হাইব্রিড নেতাদের কাঁধে ভর করে ভালো মানুষের লেবাসে ডিলার নিযুক্ত হয়ে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচি প্রশ্নবিদ্ধ করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। আগুন সন্ত্রাসী বিএনপি-জামায়াত নেতারা জননেত্রি শেখ হাসিনার আওয়ামীলীগের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ১০ টাকার চাল বিতরণের ডিলার নিয়োগ পেয়েছে তা নিয়েও শুরু হয়েছে হাজারো প্রশ্নবান। খাই খাই মার্কা ডিলার, প্রভাবশালী সেন্টিকেট, গুটি কয়েক সরকারি ও বিরোধী দলের ভিআইপি নেতাদের ঐক্য সমন্বয় শুধু মাত্র চলমান এ সুবিধা ভোগ করছেন বলেও ত্যাগী তৃনমূলের নৌকাপ্রেমিরা অভিমত ব্যক্ত করেন বিক্ষুব্ধ কণ্ঠে। গত ২৫ দিন ধরে প্রস্তাবিত জেলা কলাপাড়ার সবকয়টি ইউনিয়নেই একই ধারাবাহিকতা বিরাজমান। সর্বশীর্ষে রয়েছে মৎস্য বন্দর খ্যাত ধুলাসার, লতাচাপলী ও মহিপুর ইউনিয়ন।

প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচীর ১০ টাকা কেজির চাল নিয়ে উপকূলের প্রস্তাবিত জেলা জুড়ে তোগলকি চালবাজি থামছেই না। চলছে যেন পাগলা ঘোড়ার মত। শুভংকরের ফাঁকি দিয়ে অভিন্ন কৌশলে চাল নিয়ে চাল বাজি চলছেই। চেয়ারম্যান, মেম্বর, মহিলা মেম্বর, ডিলার এবং সরকার দলীয় ভিআইপি বিত্তশালী নেতাদের বিরুদ্ধে চলছে সীমাহীন অভিযোগের পাহাড়। ১০ টাকার চালের কার্ড বিতরণে স্বরণকালের অনিয়ম হতদরিদ্রের বাদ দিয়ে সরকার বিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আগুন সন্ত্রাসী বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীদেরসহ হাইব্রীড নেতাকর্মীদের কার্ড প্রদান। অর্থের বিনিময়ে কার্ড বিক্রি। ক্ষমতাসীন দলের ভিআইপি নেতা এবং জনপ্রতিনিধিদের মাঝে কার্ড ভাগ বাটোয়ারা। মৃত্যু ব্যক্তির নামে টিপসই দিয়ে চাল উত্তোলনের চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রবাহ, ট্রলার মালিকদের নাম, মাছ ব্যবসায়ীদের নাম, প্রবাসীদের নাম তালিকায় অর্šÍভূক্ত, স্কুলে পড়–য়া ছাত্রদের জাতীয় আইডি কার্ডের পরিবর্তে জন্ম নিবন্ধন আইডি ব্যবহার করে কার্ড বিতরণে সীমহীন স্বজনপ্রীতি, গ্রামীন জনপদে ভোটের রাজনীতির  নিজস্ব পছন্দের ব্যক্তির নামে কার্ড বিতরণের সংখ্যাধিক্য, ডাবল কার্ডের মাধ্যমে চাল উত্তোলন, বিত্তশালী অবসরে যাওয়া বন কর্মকর্তার নামে কার্ড। প্রস্তাবিত জেলা পায়রা সমুদ্র বন্দর খ্যাত কলাপাড়ার নবগঠিত থানা মৎস্য বন্দর মহিপুরে সদর ইউনিয়নে চাল নিয়ে চালবাজির সীমাহীন অনিয়ম, দুর্ণীতির মহোৎসব। একই ঘরে ১১টি ও  ৭টি কার্ড বিতরণ, স্বামী, স্ত্রী, পুত্র কন্যার নামে কার্ড, এমনকি উত্তোলনকৃত চাল খোলা বাজারে বিক্রির অভিযোগ বিরাজমান। এ ধারাবাহিকতায় মহিপুর ধুলাসার, ধানখালী, চম্পাপুর টিয়াখালী, লতাচাপলী ইউনিয়নে কার্ড নিয়ে রয়েছে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ।

মহিপুর ইউনিয়নের সব কটি ওয়ার্ডে চাল নিয়ে চালবাজি চলছে। বিপিনপুর গ্রামের ১৮৫৭ নম্বর কার্ডে নাম রয়েছে সাবেক বন কর্মকর্তা ইউনুচ হাওলাদারের। যিনি বিত্তশালী, আইডি নং ৭৮১৬৫২৩৫৭১৩৪৮, লতিফপুর গ্রামের দ্বীন ইসলামের রয়েছে ৭টি কার্ড যার মধ্যে ১৪৯৩ নং এর দ্বীন ইসলামের নামে তার স্ত্রী শিরিনা বেগম ও পুত্রদের নামে রয়েছে কার্ড। হতদরিদ্রদের রাষ্ট্রীয় মৌলিক অধিকার হরণ করে চাউল উত্তোলন হয়েছে। লতিফপুর গ্রামের ১৫৬১ নম্বর কার্ডে  শিরিনা বেগম স্বামী দ্বীন ইসলামের নাম রয়েছে। আইডি নং নেই। মূলাম খালে মাছ ধরে লাখোপতি সালাউদ্দিন ফরাজি ছালোর হেফাজতে রয়েছে ১১টি কার্ড যার মধ্যে নিজ শিববাড়িয়া স্কুলের ছাত্র ১৪৭৪নং কার্ডে আলমাস (ছাত্র) পিতা সালাউদ্দিন ফরাজী আইডি কার্ডের পরিবর্তে জন্ম নিবন্ধন নং ৭৮১৬৬২৩৫৬৩৩১২ দিয়ে চাল উত্তোলন করছে। ১৪৭৪নং কার্ডে মোঃ লিটন(ছাত্র), পিতা সালাউদ্দিন ফরাজী আইডি কার্ডের পরিবর্তে জন্মনিবন্ধন নং ১৯৯৪৭৮১৬৬২৩০০০২৮৫ মহিপুর ইউনিয়ন যুবদল সাধারণ সম্পাদক বিপিনপুর গ্রামের ৬০৮নং কার্ডে চাল উত্তোলন করেছে। বিপিনপুরের বিএনপি নেতা মোঃ সোহরাফ ও তার স্ত্রীর নামে রয়েছে কার্ড। আঃ জব্বার মৃধার পূত্র সোহরাফ হোসেন ১৭৭৪নং কার্ডে চাল উত্তোলন করেছে। বিপিনপুর গ্রামের সোহরাফ হোসেনের স্ত্রী পারভীন বেগম ১৭৭৫ নং কার্ডে চাল নিয়েছে। মহিপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি ফরিদ খানের নামে রয়েছে ১০ টাকার চালের কার্ড। শিক্ষক, বিত্তশালী, চাকুরীজীবি, ছাত্র, অন্যত্র বিয়ে দেয়া হয়েছে এমন নারীর নামও রয়েছে তালিকায়। নজীবপুর-মহিপুর গ্রামের নৌকা প্রেমিরা হতাশ। সেখানে আগুন সন্ত্রাসী বিএনপি-জামায়াত জোটের বিতর্কিত নেতাকর্মীরা কার্ড পেয়েছেন। নজীবপুর গ্রামের জামায়াত নেতা মোঃ নিজাম ৮০০নং কার্ডে চাল ছাড়িয়েছে। একই গ্রামের বিত্তশালী মোঃ নুরছায়েদ ৮০৭নম্বর, ৮১৬নম্বরে মোঃ আলাউদ্দিন, ৮২৮ নম্বর কার্ডে লাল মিয়া, ৮৪২ নম্বরে মোশারেফ খান, ৮৩৫ নম্বরে মোঃ ইব্রাহীম খান, ৮৫০ নম্বরে মোঃ কামাল শেখ, ৮৫২ নম্বরে মোঃ আলম হাওলাদার, জামায়াত নেতা মোঃ হাফেজ, শাহআলম ৮১৫নম্বর, ৮৫১ নম্বরে মোঃ দেলোয়ার হোসেন পিতাঃ ইব্রাহীম মাঝি, ৮৬৭ নম্বর মোঃ মোস্তফা শরীফ, ৮৬৮ নম্বরে মোঃ জাহাঙ্গীর হাফেজ। এদিকে লতাচাপলী ইউনিয়নের খাজুরা গ্রামের বাসিন্দা ৮৭৬ নম্বর কার্ডে মোঃ নিজাম মিয়া পিতা ইউনুচ ফকির আইডি কার্ড নেই চাল নিয়েছেন। মহিপুর ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাপতি ফরিদ খান পিতা রহমান খান ৯০২ নম্বর কার্ড দিয়ে চাল নিয়েছে । নজীবপুর গ্রামের মৃত সেকান্দার ফকিরের পুত্র মোঃ শানু ফকির তিন বছর পূর্বে মারা যান। অলৌকিক ভাবেই কবর থেকে উঠে এসে ৯০০ নম্বর কার্ডের চাল টিপসই দিয়ে চাল উত্তোলন করে চাল বাড়ি রেখে কবরে চলে যান। আগামী কিস্তিতে ফিরে এসে ১০ টাকা কেজির চাল ছাড়াবার জন্য মুঠোফোনে যোগাযোগ রাখছেন চৌকিদারদের সাথে। নজিবপুর গ্রামের ৮০৯ নম্বরের কার্ড রয়েছে বিদেশে অবস্থানরত মোসাঃ নাসিমার নামে, আইডি নেই। চাল ছাড়ানো হয়েছে ডান-বাম হাতের আঙুলের টিপ স্বাক্ষর দিয়ে । ৮১১ নম্বর কার্ডে মোঃ রত্তন প্যাদা প্রবাসে রয়েছে দীর্ঘসময়, তিনিও চাল ছাড়িয়েছেন ভিসা পাসপোর্ট ছাড়াই উড়ে এসে টিপসই করে ১০ টাকা কেজি দরের চাল উত্তোলন করেছেন। অন্য এলাকার বাসিন্দা ৮৮৯ নম্বরে মোঃ মিলনের  নামে চাল ছাড়ানো হয়েছে, ৮৮৮ নম্বরেও চাল নিয়েছে, কিন্তু নাম নেই । ধনাঢ্য মোঃ ইদ্রিস মৃধা ৮৯৩ নম্বরে, জলিল খান ৯১০ নম্বরে, ৮৭৭ নম্বরে মোঃ আমির খান,  ৯২১ নম্বরে মোঃ ইব্রাহিম, ৯২২ নম্বরে বিদেশে অবস্থানরত মোঃ কামাল মৃধা, ইসলামি শাসনতন্ত্র আন্দোলন নেতা পুলিশ মারা মামলার আসামী মোঃ রহমান খান, ৯২৪ নম্বরে রফিক মীর, ৯৩৯ নম্বরে বিত্তশালী ফারুক মাঝি, ৯২৫ নম্বরে মিলন মাতুব্বর ,৯২৭ নম্বরে মোঃ হানিফ ৯২৯ নম্বরে মালয়শিয়ায় অবস্থানরত ১৮৩ নম্বরে মোঃ শাহআলম গাজী  আইডি নং ৩১১৯৪২১০। এছাড়া ডাবল কার্ডের নাম তালিকায় নজিবপুর গ্রামের ১৯১১ নম্বর কার্ডে মোসাঃ ছোরেয়া, ১৯১২ নম্বরে মোঃ ফারুক, বিএনপি নেতা ১৯১৩ নম্বরে মোঃ ইলিয়াস শরীফ, ১৯৯৪ নম্বরে মোঃ জাকারিয়া শরীফ। ডাবল কার্ডের ১৯১৬ নম্বরে মোঃ কাসেম ফকির, ১৯১৭ নম্বরে মোঃ বেল্লাল মুন্সি, ১৯১৮ নম্বরে নিজাম, ১৯২১ নম্বর তালিকায় কারো নাম নেই, ১৯২২ নম্বরে আনোয়ার খান, ১৯২৩ নম্বরে সুলতান খান, ১৯২৪ নম্বরে সালাম শরীফ, ১৯২৫ নম্বরে মোঃ নুরছায়েদ, ১৯২৬ নম্বরে মোঃ আলমগীর গাজী, ১৯২৭ নম্বরে মোসাঃ নাসিমা, ১৯২৮ মোস্তফা মিস্ত্রী, ১৯২৯ নম্বরে রত্তন প্যাদা, ১৯৩০ নম্বরে আমানউল্লাহ, ১৯৩১ নম্বরে ইউসুফ খান, ১৯৩২ নম্বরে বিএনপি নেতা কালু হাওলাদার, ১৯৩৩ নম্বরে হাফেজ শাহআলম, ১৯৩৪ নম্বরে আলাউদ্দিন, ১৯৩৫ নম্বরে মকিম, ১৯৩৮ মোঃ রফেজ, ১৯৩৯ নম্বরে সাহিদা, ১৯৪০ নম্বরে জামায়াত নেতা মোশারেফ, ১৯৪২ নম্বরে ইউসুফ গাজী, ১৯৪৩ নম্বরে ছত্তার খান, ১৯৪৪ নম্বরে ইউনুচ খান, ১৯৪৫ নম্বরে শাহজাহান, ১৯৪৬ নম্বরে লাল মিয়া, ১৯৪৮ নম্বরে সালাম, ১৯৫০নম্বরে হক মাঝি, ১৯৫২ নম্বরে মিন্টু এদের নামে দুইটি করে কার্ড রয়েছে। নজিবপুর গ্রামের ধানের শীষে ভোট দেন এমন বিএনপি নেতাকর্মীরা হলেন , ৭৭১ নম্বরে রুবেল, ৭৭৩ নম্বরে মোঃ মিজান, ৭৮৪ নম্বরে সালাম হাওলাদার, ৭৮৭ নম্বরে ইউনুচ, ৭৮৮ নম্বরে আবু তালেহ, ৭৮৯ নম্বরে আবু ছালেহ, ৭৯১ নম্বরে ফোরকান ব্যাপারী। রাজধানী ঢাকায় চাকুরীরত ৮১৭ নম্বরে মকিম পিতা আঃ মজিদ হাওলাদার। বিপিনপুরের ৭৪৫ নম্বর কার্ডে রাজ্জাক হাওলাদারের পরিচয় পত্র নেই বিধায় আইডি নং পাওয়া যায়নি। ০৭ নং ওয়ার্ডে বিএনপির ৬১ নেতাকর্মীরা কার্ড পেয়ে চাল উত্তোলন করেছে। এদের মধ্যে সেরাজপুরের ১২১৯ নম্বরের নিজাম খা, ১২২৩ নম্বরে মোশারেফ হাওলাদার, ১২২৬ নম্বরে মুছা হাওলাদার, ১২২৯ নম্বরে সোবাহান, ১২৩৬ নম্বরে ওহিমা, ১২৩৭ নম্বরে খালেক খা, ১২৩৮ নম্বরে খলিল গাজী, ১২৩৯ নম্বরে কুদ্দুস গাজী, ১২২৪ নম্বরে বারেক পিতা সফেজ ঘরামী, ১২৫০ নম্বরে আঃ খালেক, ১২৫২ শাহজাহান প্যাদা, ১২৫৮ মিন্টু খা, ১২৫৯ আব্বাস মুন্সী, ১২৬১ ছালেক মুছুল্লী, ১২৬২ নম্বরে পান্না হাওলাদার ১২৬৮ নম্বরে শহিদ, ১২৬৯ নম্বরে আলী আকবর হাং, ১২৭২ হানিফ মাঝি, ১২৮২ নম্বরে মজিবর, ১২৮৩ ইউনুচ আকন, ১২৮৭ নম্বরে জয়নাল, ১২৮৮ ছত্তার খান, ১৯২০ নম্বরে শাহজাহান পিতা হাবিব আকন, ১২৯১ নম্বরে হারুন, ১২৯২ নম্বরে শাহজাহান, ১২৯৪ নম্বরে বশির মুছুল্লী ১২৯৫ রফিক, ১২৯৬ আল আমীন, ১২৯৭ নম্বরে আজিজ মুছুল্লী, ১২৯৮ বারেক পিতা নূর মোহম্মদ মুছুল্লী, ১৩০৩ জয়নাল, ১৩০৪ ইসমাইল, ১৩০৮ আজিজ খান, ১৩১১ জরিনা, ১৩১২ জসিম, ১৩১৩ শাহআলম, ১৩১৪ মোতালেব, ১৩১৫ মহিবুল্লাহ, ১৩১৬ এনায়েত, ১৩১৯ শহজাহান, ১৩২০ ছিদ্দিক চৌকিদার, ১৩২১ মোঃ ইউনুচ, ১৩২২ মোঃ ইউসুফ হাওলাদার, ১৩২৪ মন্নান প্যাদা, ১৩২৫ দুলাল খা, ১৩২৯ বাদল হাওলাদার, ১৩৩০ মোস্তফা হাওলাদার, ১৩৩১ ইউসুফ হাওলাদার, ১৩৩৪ মন্নান খান, ১৩৩৭ হানিফ, ১৩৩৮ ইসাহাক, ১৩৩৯ ইব্রাহিম, ১৩৪০ ফারুক, ১৩৪৫ খালেক, ১৩৪৯ মনির হাওলাদার, ১৩৫০ মাহতাব, ১৩৫১ কাসেম প্যাদা, ১৩৫৩ রফিক, ১৩৫৪ রহিম, ১৩৫৫ আঃ জলিল, ১৩৫৮ আলমগীর পিতা হাফেজ হাওলাদার সেরাজপুর। ১৭৯৭ নম্বরে খলিল হাওলাদার, ১৮০৬ আবুল কালাম মুসুল্লী, ১৮১৫ কালাম সরদার, ১৮৮৮ ফারুক খা, ১৮২০ নুরভানু, ১৮৫৩ ইদ্রিস প্যাদা, ১৮৫৬ আফজাল, ১৯৪৭ নম্বরে করিম মৃধা, ১৯৫৩ বেল্লাল, ১৯৫৬ বশির তালুকদার, ১৯৫৮ বশির খা, ১৯৫৯ ফিরোজ আকন, ১৯৬৩ রহমান প্যাদা, ১৯৬৪ জসিম সরদার, ১৯৬৬ রুবেল, ১৯৬৭ নিজাম হাওলাদার, ১৯৬৯ নাসির মৃধা, ১৯৭২ মোহাম্মদ, ১৯৭৫ নুরুল ইসলাম, ১৯৭৬ মোতালেব মৃধা, ১৯৭৮ ইসমাইল প্যাদা, ১৯৮০ হারুন মুসুল্লী, ১৯৮২ নম্বরে নাসির মুসুল্লী। হতদরিদ্রের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচী যাদের তদারকি করার কথা তারাই আছেন নীরব দর্শকের ভূমিকায়। ফলে ১০ টাকা কেজির চাল নিয়ে চালবাজি চলছেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচীর আওতায় দেশব্যাপী ৫০ লাখ হতদরিদ্রদের মাঝে ১০ টাকা মূল্যে চাল বিক্রির কর্মসূচী শুরু করা হয়। প্রত্যেক ইউনিয়নে চেয়ারম্যান ও উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তাদের তদারকির মাধ্যমে ডিলার নিয়োগ করে চাল বিক্রি কর্যক্রম শুরু হয়। এদিকে ১০ টাকার চাল বিক্রি কার্যক্রম নিয়ে শুরুতেই হোচট খেতে হয়েছে। রাজনৈতিক নেতাদের হস্তক্ষেপ বিএনপি জামাত আগুন সন্ত্রাসীরা অভিন্ন কৌশলে ডিলার নিয়োগ পেয়েছে। নামে মাত্র ডিলার থাকলেও তা সরাসরি রাজনৈতিক দলের নেতা কিংবা জন প্রতিনিধিরা নিয়ন্ত্রন করছে। এর ফলে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচীর মূল লক্ষ্য অর্জনে সফলতার হার শূন্যের কোঠায় আসতে শুরু করেছে। অক্ষম প্রতিবন্ধি, ভিক্ষুক এবং হতদরিদ্র তারাই শুধুু মাত্র ১০ টাকা কেজি দরের চাল কেনার কার্ড পাবেন। অনিয়ম দূর্নীতির নির্ভিক তদন্তপূর্বক প্রচলিত আইনী ব্যবস্থা নিলেই কেঁচো খুড়তে সাঁপ বেড়িয়ে পরার সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দিতে চায় না বিজ্ঞমহল। বিতর্কিত কার্ড বাতিলের দাবী উঠেছে। প্রিয় পাঠক, চোখ রাখুন প্রতিদিনের ক্যানভাসে। পরবর্তী বিস্ফোড়ন লতাচাপলী ইউনিয়ন।