1

উত্তম কুমার, বাউফল ঃ পটুয়াখালীর বাউফলে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এক শ্রেণীর অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীরা খাম্বা বানিজ্য করে সাধারন গ্রাহকদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এইচটি লাইন থেকে এলটি লাইনের একটি খুটি নিতে ২৭ হাজার টাকা জমা দেয়ার বিধান থাকলেও টাকা নেয়া হচ্ছে কয়েক গুন বেশি।

ভুক্তভোগিরা অভিযোগ করে বলেন, কাছিপাড়া ইউনিয়নের কারখানা গ্রামের রাজ্জাক গাজীর বাড়ির ১১ টি ঘরে বিদ্যুত সংযোগ পেতে একটি খাম্বার দাম নেয়া হয়েছে ৩ লাখ ৩১ হাজার টাকা। এর মধ্যে   মোঃ সাত্তারগাজী, ইসমাইল গাজী, বারেক গাজী, খালেক গাজী, মালেক গাজী, ফোরকান গাজী, এনামুল গাজী, রহিম গাজী এবং ইয়াসিন গাজীর কাছ থেকে ১৬ হাজার টাকা, ইদ্রিস গাজীর কাছ থেকে ২১ হাজার টাকা আর রমজান গাজীর একার কাছ থেকে নেয়া হয়েছে দেড় লক্ষ টাকা। পার্শ্ববর্তী কনকদিয়া ইউনিয়নের নারায়ন পাশা গ্রামের ওয়াদুদ হাওলাদারে ছেলে মঞ্জু হাওলাদারের মাধ্যমে এ টাকা নেয়া হয়েছে । টাকা দেয়ার পর তারা বিদ্যুৎ সংযোগ পেয়েছেন। মঞ্জু হাওলাদার ওই এলাকায় পল্লী বিদ্যুত সমিতির একজন চিহিৃত দালাল হিসাবে পরিচিত। তারমত এ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আরও চিহ্নিত দালাল রয়েছেন। তাদের মধ্যমে সংশ্লিষ্ট সমিতির এক শ্রেণীর অসাধু কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা খাম্বা বানিজ্য করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। এ ছাড়াও বিদ্যুতের মিটার পেতে গ্রাহকদের ৮-১০ হাজার টাকা করে উৎকোচ দিতে হয়। এ টাকা না দিলে মাসের পর মাস ঘুরেও মিটার পাওয়া যায়না। এ ব্যাপারে বাউফল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজা মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিকের সাথে যোগাযোগ করা হলে এ তিনি বলেন, এসব ঘটনার সাথে স্থানীয় প্রভাবশালী লোকজন জড়িত। তাদের সাথে আমাদের কোন কর্মকর্তা-কর্মচরীরা জড়িত থাকলেও থাকতে পারেন।