বুধবার, নভেম্বর ৪, ২০২৬
spot_img
Home Blog Page 10

হবিগঞ্জে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে ১৮ হাজার ৬৬৯ জনের নিবন্ধন

০

হবিগঞ্জে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসরে ১৮ হাজার ৬৬৯ জন শিশু-কিশোর অনলাইনে নিবন্ধন করেছে। তৃণমূল পর্যায় থেকে ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণে এবার ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, ভলিবলসহ মোট ১০টি ইভেন্টে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।

৩ নভেম্বর মঙ্গলবার বেলা ১১টায় হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান জেলা প্রশাসক ড. জি এম সরফরাজ। তিনি জানান, নিবন্ধনকারীদের মধ্যে বালক ১০ হাজার ৫৩৯ জন এবং বালিকা ৮ হাজার ১৩০ জন। জেলার ৯টি উপজেলা ও হবিগঞ্জ পৌরসভা থেকে এসব প্রতিযোগী অংশ নিচ্ছে। এবারের প্রতিযোগিতায় ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু-কিশোররা অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে।

প্রতিযোগিতা উপজেলা, জেলা, আঞ্চলিক ও জাতীয়-এই চারটি পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ৫ নভেম্বর থেকে উপজেলা ও পৌরসভা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে চলবে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

প্রেস ব্রিফিংয়ে আরও জানানো হয়, প্রতিযোগিতায় জাতীয় পর্যায়ে বিজয়ীদের জন্য প্রাইজমানি, ট্রফি ও মেডেলের পাশাপাশি প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের বিকেএসপি’তে প্রশিক্ষণের সুযোগ দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. মঈনুল হক ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব অ্যাড.গুলজার খানসহ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

দ্বিতীয় পদ্মা ও যমুনা সেতু এবং পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

০

ডেস্ক রিপোর্ট:
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ওয়াই-আকৃতির দ্বিতীয় পদ্মা সেতু, রংপুরসহ উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থাকে প্রাধান্য দিয়ে দ্বিতীয় যমুনা সেতু এবং পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন।

আজ ৩ নভেম্বর মঙ্গলবার বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তিনি এ নির্দেশনা দেন। প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব শাহরিয়ার পামির এ কথা জানান।

তিনি জানান, বৈঠকে জানানো হয়, দ্বিতীয় পদ্মা সেতু ও দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা চলছে। আগামী বছরের সেপ্টেম্বরে সমীক্ষা শেষ হওয়ার পর সেতু দুটির অবস্থান, নকশা ও প্রকল্প ব্যয়ের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বৈঠকে দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর ক্ষেত্রে ওয়াই-আকৃতির সংযোগ ব্যবস্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এছাড়া দ্বিতীয় যমুনা সেতুর ক্ষেত্রে রংপুরসহ উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নকে গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি উঠে আসে।

দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মিত হলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানীর যোগাযোগ আরও সহজ হবে। পাশাপাশি মোংলা সমুদ্রবন্দর এবং বেনাপোল ও দর্শনা স্থলবন্দরের সঙ্গে বিকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে উঠবে।

এছাড়া বৈঠকে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয়। শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট মোকাবিলা, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, নদীর প্রবাহ ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং ব্যারেজের মাধ্যমে সড়ক যোগাযোগ স্থাপনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। এছাড়াও বৈঠকে প্রকল্পগুলোর অর্থায়ন, জমি অধিগ্রহণ, পুনর্বাসন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের বিষয়ও উঠে আসে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব।

বৈঠকে সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ ও নৌ পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, রেলপথ এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান, অর্থ সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার, সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. এ. কে. এম. শাহাবুদ্দিন, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মহাঃ এনামূল হক, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পরিচালক (যুগ্মসচিব) মো. ভিখারুদ্দৌলা চৌধুরী, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবুল হোসেন এবং পদ্মা ব্যারেজের প্রকল্প পরিচালক মাহমুদ হাসান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

দুর্গোৎসবে নিরাপত্তা নিশ্চিতে পটুয়াখালীর পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন এসআরবি-৮-এর সিও

০

পটুয়াখালী প্রতিনিধি:

শারদীয় দুর্গোৎসব ঘিরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পটুয়াখালীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন এসআরবি-৮, বরিশালের অধিনায়ক কমান্ডার মোহাম্মদ জাকিউল করিম (জি), বিএন।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) পটুয়াখালীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কথা বলেন এবং মণ্ডপগুলোর সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন। এ সময় পূজার নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও উৎসব নির্বিঘ্নে উদযাপনের বিষয়ে আলোচনা হয়।

পরিদর্শনকালে কমান্ডার মোহাম্মদ জাকিউল করিম বলেন, “পটুয়াখালী জেলার ১৯২টি পূজামণ্ডপে আমাদের সদস্যদের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি চলছে, যাতে কোথাও কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যেন নিরাপদ ও সুন্দর পরিবেশে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি।”

তিনি আরও বলেন, পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক রয়েছেন। উৎসবকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও কোম্পানি কমান্ডার, সিপিসি-১ পটুয়াখালীর আবুল কালাম আজাদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

জেলা-সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এবার পটুয়াখালী জেলায় ১৯২টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপিত হচ্ছে। গত ১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হয় দুর্গোৎসব।

পূজাকে কেন্দ্র করে জেলার বিভিন্ন মণ্ডপে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। পুলিশ, এসআরবি, কোস্টগার্ড ও আনসার সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনও নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়েছে।

নিরাপদ ও সম্প্রীতিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গোৎসব উদযাপনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের পাশাপাশি পূজা উদযাপন কমিটির সদস্যদেরও সতর্ক ও দায়িত্বশীল থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আমতলীতে শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি পরিদর্শনে বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি জুলফিকার আলী হায়দার 

০
জেলা প্রতিনিধি, বরগুনা।।
বরগুনার আমতলীতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার প্রস্তুতি ও সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পরিদর্শন করেছেন বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি (উপমহাপরিদর্শক) মো. জুলফিকার আলী হায়দার।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে আমতলী পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি পূজার প্রস্তুতি, নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নিরাপত্তা ও উদ্বেগের বিষয়গুলো সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিআইজি মো. জুলফিকার আলী হায়দার বলেন, শারদীয় দুর্গোৎসব নির্বিঘ্ন, শান্তিপূর্ণ ও আনন্দমুখর পরিবেশে উদযাপন নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। পূজামণ্ডপসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করার পাশাপাশি যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, কোনো ধরনের গুজবে কান দেওয়া যাবে না। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগে—এমন কর্মকাণ্ড থেকে সবাইকে বিরত থাকতে হবে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং উৎসবকে শান্তিপূর্ণ রাখতে প্রশাসন, পুলিশ, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, পূজা উদযাপন পরিষদের নেতারা ও সাধারণ মানুষকে সম্মিলিতভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াকুব হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আমতলী উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট হরিহর চন্দ্র দাস।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরগুনার পুলিশ সুপার মো. কুদরত-ই-খুদা, পিপিএম (সেবা); আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মো. হাফিজুর রহমান; বরগুনার সহকারী পুলিশ সুপার (আমতলী সার্কেল) মো. তারিকুল ইসলাম মাসুদ এবং আমতলী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সঞ্জয় কুমার দত্ত।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আমতলী উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. জালাল উদ্দীন ফকির, সাবেক সদস্যসচিব মো. তুহিন মৃধা, উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মো. কবির ফকির, পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. জালাল আহম্মেদ খান, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জগদীশ চন্দ্র বসু,
আমতলী উপজেলা সাংবাদিক সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হায়াতুজ্জামান মিরাজ মৃধা, আমতলী প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি এস এম নাসির মাহমুদ, উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক, মো: সজিব, আমতলী প্রেসক্লাবের  যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহসিন মাতুব্বর।
এ ছাড়া সুশাসনের জন্য নাগরিক—সুজনের আমতলী উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও গণমাধ্যমকর্মী আবু জিহাদ, আমতলী উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক জোসেফ মাহতাব, আমতলী বকুল নেছা মহিলা কলেজের ইংরেজি প্রভাষক, মানবাধিকার কর্মী, বানী রানী সরকার,  বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দ,
বিভিন্ন ইউনিয়নের পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, পুরোহিত, আমতলী থানার পুলিশ সদস্য এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে দুর্গাপূজার সার্বিক প্রস্তুতি, পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে কোনো ধরনের উদ্বেগ বা সংশয় রয়েছে কি না, সে বিষয়ে আলোচনা হয়। উৎসব চলাকালে যেকোনো সমস্যা দ্রুত প্রশাসন ও পুলিশের নজরে আনার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আশা প্রকাশ করেন, প্রশাসন, পুলিশ, পূজা উদযাপন পরিষদ ও স্থানীয় জনগণের সমন্বিত উদ্যোগে আমতলীতে শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হবে।